মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়

41

দেশের স্নাতক (ফাজিল) ও স্নাতকোত্তর (কামিল) মাদ্রাসাগুলোর সকল শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সদ্য প্রতিষ্ঠিতি ‘বাংলাদেশ ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়’কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা-২ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপণ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপণে বলা হয়, দেশের স্নাতক (ফাজিল) ও স্নাতকোত্তর (কামিল) মাদ্রাসাগুলোর অধিভুক্তি, পাঠ পরিচালনা, পরীক্ষা গ্রহণ, পরিদর্শন, কোর্স অনুমোদনসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয়, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েল অধীনে পরিচালিত ফাজিল পাস ও স্নাতক সম্মান এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসার ভর্তি, পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম এখন থেকে আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। এখন থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় সকল কার্যক্রম পরিচালিত করবে। ফলে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ফাজল, কামিলের ভর্তি ও পরীক্ষা আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়া হবে।
এ প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে নতুন প্রতিষ্ঠিত সরকারি আরবী বিশ্ববিদ্যালয়টি একাডেমিক ও প্রশাসনিক সকল কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। আগে ফাজিল কামিল মাদ্রাসাগুলোর নিয়ন্ত্রণ করতো কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে ফাজিল, কামিলের সকল কার্যক্রম আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ২৩ই আগস্ট ধানমণ্ডির অস্থায়ী কার্যালয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। দেশে বর্তমানে কামিল মাদ্রাসা ২০৫টি, ফাজিল (সম্মান) ৩১টি, ফাজিল (অনার্স/পাস) মাদ্রাসা এক হাজার ৪৯টি এবং সরকারি মাদ্রাসা তিনটি রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৩১ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে এক লাখ ৯৭ হাজার ৩৮৫ ছাত্রী। আর শিক্ষক রয়েছেন ২২ হাজার ৯২১ জন।