প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অন্তরায়–মোস্তাফা জব্বার

1

যুগবার্তা ডেস্কঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে ২৯ জুলাই জাতীয় ডাক দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়া হবে। ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই ভারতীয় নাগরিক বিমান মল্লিকের ডিজাইন করা ৮টি ডাকটিকিট মুজিব নগর সরকার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব সত্য প্রতিষ্ঠার অংশহিসেবে মুজিব নগর সরকার কুটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য এ উদ্যোগ গ্রহণ করে|

মন্ত্রী আজ ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরের নলীনি কান্ত ভট্রশালী গ্যালারীতে ট্র্যাম্প শো ঢাকা ২০১৮ আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডাক বিভাগের যোগাযোগের মাত্রা পরিবর্তন হচ্ছে। আগামী দিনের কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস এবং রোবটিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে দেশের তরুণ সমাজ কর্ম হীন হয়ে পড়বে। তিনি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের তৈরি হবার জন্য তরুন সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি , প্রাথমিক স্তর থেকে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘ আমরা প্রথমবারের মতো শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেছি’।ভবিষ্যতে প্রাথমিক স্তরে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ১লা জানুয়ারিতে বই ‍বিতরণ অনুষ্ঠানে স্কুলের ছেলে-মেয়েদের হাতে বইয়ের পরিবর্তে ল্যাপটপ তুলে দেও্রয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। বইয়ের পরিবর্তে ল্যাপটপ ছেলে-মেয়েদের হাতে পৌছে দেওয়ার সক্ষমতায় আমরা উপনীত হয়েছি।আমাদের ছেলে-মেয়েরা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাবেনা এবং সেদিন বেশী দূরে নয় যেদিন বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে ক্লাশ করবে। মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী মুজিব নগর সরকারের প্রকাশিত আটটি ডাক টিকিট ইতিহাসের অংশ হিসেবে আবারও প্রকাশের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, স্বাধীনতার এ গুরুত্বপূর্ণ অংশটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ট্র্যাম্প শো ঢাকা ২০১৮ -ডাকটিকিট প্রদর্শনীতে প্রস্তাবিত “ পর্যটন বর্ষ ২০১৬-২০১৮” এর উপর প্রকাশিতব্য প্রতিটি ০৫ (পাঁচ) টাকা মূল্যমানের চারটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক জনাব সুশান্ত কুমার মন্ডলসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।