‘প্রার্থীতা বাতিলে কোথাও কোথাও স্বেচ্ছাচারী আচরণ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে’

2

যুগবার্তা ডেস্কঃ বাম গনতান্ত্রিক জোট বলেছে, অনেক স্থানে রিটার্নিং অফিসারদের স্বেচ্ছাচারী আচরণ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। সামান্য ও সংশোধনযোগ্য ভুলের সংশোধনের সুযোগ দিয়ে কারও আজ্ঞাবহ না হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। আজ সকাল ১১টায় এক সভায় এ দাবী জানান।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, ফখরুদ্দিন কবির আতিক, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, রাজেকুজ্জামান রতন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন নান্নু, আব্দুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, মমিনুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মনির উদ্দিন পাপ্পু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহবায়ক হামিদুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাতক্ষীরার তালার বাম জোটের নেতা-কর্মীদের পুলিশী হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, বাম জোটের প্রার্থীর কাজ ব্যাহত করতে এ ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। সভায় বলা হয়, সরকারী দলের প্রার্থী ও নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আচরণবিধি লংঘন করে শোডাউন, সভা-সমাবেশ করছে, ভোট চাইছে, অথচ নির্বাচন কমিশন এক্ষেত্রে নীরব।
সভায় বিরোধী দলসমূহের প্রতি নির্বাচন কমিশনের আচরনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সরকারী দলের ইচ্ছার প্রতিফলন করতে ‘উটপাখির নীতি’ নিয়ে চলছে। এর অবসান না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না।
সভায় বলা হয়, সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা ও শোনা গেছে যে, চট্টগ্রামের প্যানেল মেয়র আসন্ন নির্বাচন সম্পর্কে ‘নীল নকশা’র কথা বলেছেন। এতে মনে হয়েছে, সরকার নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের দিকেই এগুচ্ছে। সভায় অবিলম্বে এ প্যানেল মেয়রকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। একই সাথে কোনো ‘নীল নকশা’ থাকলে তার বিপরীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করারও দাবি জানান হয়।
সভায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সচেতন দেশবাসীকে জাগ্রত হওয়ার আহবান জানান হয়।