যুদ্ধাপরাধী লিয়াকত ও আমিনুলের ফাঁসি

1

যুগবার্তা ডেস্কঃ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত হবিগঞ্জের লিয়াকত আলী ও কিশোরগঞ্জের আমিনুল ইসলাম রজব আলীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত।আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

দন্ড প্রাপ্ত আসামী লিয়াকত আলী হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়াকরি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আমিনুল ইসলাম ওরফে রজব আলী কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাসিন্দ।

গত ১৬ আগস্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হলে মামলাটির রায় ঘোষণা অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। এটি হবে যুদ্ধাপরাধের মামলার বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের ৩৫তম রায়।

২০১৬ সালের ১ নভেম্বর এ দু’জনের বিষয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়। সুনির্দিষ্ট সাতটি অভিযোগে একই বছরের ১৮ মে এই দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ওই সময় থেকে তারা পলাতক রয়েছেন।

সাত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর লিয়াকত ও রজব রাজাকার এবং পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে লাখাই থানার কৃষ্ণপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে গণহত্যা, লুটপাট এবং কৃষ্ণপুরে নৃপেন রায়ের বাড়িতে রাধিকা মোহন রায় ও সুনীল শর্মাসহ ১৫ জন জ্ঞাত ও ২৮ জন অজ্ঞাত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের গুলি করে হত্যা করেন। দুই ও তিন নম্বর অভিযোগ হচ্ছে একই এলাকার চন্ডীপুর ও গদাইনগর গ্রামে গণহত্যা ও লুটপাট করেছে তারা। অভিযোগ চার হচ্ছে অষ্টগ্রাম থানার সদানগর গ্রামে শ্মশানঘাটে হত্যাকাণ্ড চালান তারা।

অভিযোগ পাঁচে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার ফান্দাউক গ্রামের বাচ্চু মিয়াকে অপহরণ এবং রঙ্গু মিয়াকে অপহরণ ও হত্যা করেছেন তারা। অভিযোগ ছয় ও সাত হচ্ছে- অষ্টগ্রাম থানার সাবিয়ানগর গ্রামে চৌধুরী বাড়িতে ও সাবিয়ানগর গ্রামে খাঁ বাড়িতে হত্যাকান্ড ঘটানোর অভিযোগ।