সুন্দরবন এবং পশুর নদী দূষণমুক্ত রাখতে প্রতীকী পরিচ্ছন্নতা অভিযান

1

মোংলা অফিসঃ সুন্দরবন এবং পশুর নদী দূষণমূক্ত রাখতে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার, সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার এবং খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপারের যৌথ আয়োজনে প্রতীকী পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসুচি পালন করা হয়। ২ থেকে ৪ নভেম্বর সুন্দরবনের কটকা, কচিখালি এবং সুন্দরবন সংলগś পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় এ প্রতীকী কর্মসুচি পালিত হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পশুর রিভার ওয়াটাকিপার বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র বাগেরহাট জেলার সমন্বয়কারী মোঃ নূর আলম শেখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়কারী বুড়িগঙ্গা রিভার কিপার শরীফ জামিল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার আব্দুল করিম কিম এবং খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জেল সোহেল।

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার নাজমুল হক, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার অধ্যাপক নাসরীন হক, ডাঃ এস এম আল আমিন সুমন, ডাঃ আলী আহসান চৌধুরী, রোকসানা মিলি প্রমূখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ নদী মাতিৃক দেশ। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। কিন্তু মুনাফালোভী ব্যবসা-বাণিজ্যের তান্ডবে আজ সুন্দরবন ও পশুর নদী বিধস্ত হয়ে পড়েছে। দূষণ-দখল এবং ভাঙ্গনের শিকার বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবন ও সুন্দরবনের প্রান পশুর নদী। কয়লা-তেল-সার-প্লাস্টিক-বিষ এবং জাহাজী বর্জ্য দূষনে সুন্দরবন ও পশুর নদী আক্রান্ত। সুন্দরবন এবং পশুর নদীকে দূষণমূক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্যোগী হতে হবে।

বিশেষ অতিথি বলেন, সুন্দরবন মায়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে। তাই সুন্দরবন বিনাশী কোন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। সুন্দরবন দূষণ এবং লুন্ঠনকারীদের আইনের আওতায় এনে সরকারকে বিচার করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার আব্দুল করিম কিম বলেন অপরিকল্পিত শিল্পায়নে আজ সুন্দরবন এবং পশুর নদী হুমকির মুখে। সুন্দরবনকে রক্ষা করতে না পারলে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। তিনি ব্যবসায়ী, পর্যটকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সুন্দরবন এবং পশুর নদী দূষণমুক্ত রাখার আহবান জানান।