জবির একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

12

জবি প্রতিনিঃ’এসো মিলি প্রাণের টানে’ স্লোগানকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন চত্বরে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়িয়ে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “এলামনাই গঠন ও এর কার্যক্রম যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং-এর গ্রেডিং নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এলামনাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্বের উন্নত দেশে এমনও উদাহরণ রয়েছে যে, এলামনাইরা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের ভূমিকা রাখছে। এলামনাই এসোসিয়েশনর মূল উদ্দেশ্য হতে হবে পরষ্পরকে জানার আগ্রহ ও যোগাযোগ, শক্তিশালী ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।”
এসময় উপাচার্য মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পক্ষের এলামনাইরা এই এসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া বক্তব্য প্রদান করেন। পুনর্মিলনী কমিটি-২০১৮ এর আহ্বায়ক ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. লিয়াকত হোসেন মাহমুদ এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. আলী নূর। এসময় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শওকত জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের এলামনাইরা শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ও ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়াকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় ‘স্মৃতিআলেখ্য’ নামক বিশেষ স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বেলা ৩টায় বিজ্ঞান ভবন চত্বরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষক ও এলামনাইরা উপস্থিত ছিলেন।