জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে নতুন জবি ক্যাম্পাসের উদ্বোধন চাই–ছাত্র জোট

99

অন্তু আহমেদ,জবিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্র জোট। তারা মোট তিন দফা দাবি পেশ করেছে। সোমবার বেলা ১টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো জানায়।

তাদের দাবিসমূহ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কেরানীগঞ্জের ২০০ এশর জমিতে আবাসিক হলসহ নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে হবে, অবিলম্বে নতুন ভবনের ঊর্ধমূখী সম্প্রসারণ কাজ এবং ছাত্রী হলের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করতে হবে, ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

এ সময় তারা কর্মসূচী মঙ্গলবার ৯ অক্টোবর তিন দফা দাবিতে ভিসি বরাবর স্মারক লিপি পেশ করার কর্মসূচী গ্রহণ করে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি এম এম মুজাহিদ অনিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭/৪ ধারাবিরোধী আন্দোলন, উন্নয়ন ফি বিরোধী আন্দোলন, হল আন্দোলন, ক্যন্টিন আন্দোলন থেকে শুরু করে সমস্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল প্রগতিশীল ছাত্র জোট।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জবি সংসদের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, বিগত হল আন্দোলনে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ছাত্রদের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয় এবং আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। নানা বাঁধা, হামলা, মামলা উপেক্ষা করে ছাত্র জোট শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে সচেষ্ট ছিল। সেই আন্দোলনের সফলতা হিসাবেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক আবাসিক হলসহ নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণে আমরা কেরানীগঞ্জে ২০০ একর জমি পেয়েছি।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কিশোর কুমার সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও জমি অধিগ্রহণের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক অনুমোদন পেতে প্রায় দুবছর সময় অতিবাহিত হয়ে গেল। প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো বারবার প্রশাসনের কাছে ক্যাম্পাস বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা বলেলেও প্রশাসনের বক্তব্য ছিল দিশাহীন। সকল ব্যাপারে কালক্ষেপণ এক নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। জমি অধিগ্রহণে এই মুহূর্তে যেহেতু কোন প্রশাসনিক বাধা নেই। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ২০০ একর জমি অধিগ্রহণ পূর্বক আবাসিক হল নির্মাণের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাত্রসমাজের সামনে হাজির করার এবং সেই সঙ্গে আসন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে তার ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।