২১ আগস্টের মুল হোতা তারেক জিয়ার ফাঁসির দাবি

10

যুগবার্তা ডেস্কঃআওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউর সমাবেশে ভয়ংকর গ্রেনেড হামলার মুল হোতা ও নেপথ্যের চক্রান্তকারী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ)।

সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বর ‘২১ আগস্টের রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি’ নিয়ে এক মানববন্ধন কর্মসূচীর মাধ্যমে এ দাবি জানান সংগঠনটি।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, সেদিন হত্যাকান্ডের মূল হোতা ছিল খালেদা জিয়াসহ তার সহচররা। তারা যদি সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারত। তাহলে পাকিস্তানি ভাবধারায় রাষ্ট্র কায়েম করত।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বিচারপতি শামসুদ্দীন বলেন, মামলার চার্জশিটে খালেদা জিয়ার নাম এসেছে। তাই তাকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য থেকে বুঝতে পেরেছি কারা শাস্তি পেতে যাচ্ছে। কারণ কারা এ মামলার সাথে জড়িত তা সাক্ষ্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।
সংগঠনের দাবি, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ভয়াবহ ঘটনাবলির মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস ছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। শুধু হুজির অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমুলক বক্তব্যই নয়, তখনকার বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে এই ঘটনার কোনো তদন্ত না করে উল্টো তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে নানা চেষ্টা ও জজ মিয়ার সাজানো নাটকের মাধ্যমে এটাই প্রমাণীত হয়- খালেদাপুত্র তারেক রহমান এই হত্যা মামলার মুল হোতা এবং তাকে বাঁচাতেই মুলত জজ মিয়ার নাটকের সৃষ্টি।

বোয়াফের আরও দাবি, অপরাধবোধ বা অপরাধীদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপনে এবং সর্বপরি আইনের সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ধরনের মাস্টারমাইন্ড অপরাধীর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দন্ড প্রদান করা সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন, মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবারের সন্তান ও সাংবাদিক-প্রবীর সিকদার, বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি (বিএফএস) চট্টগ্রাম বিভাগীয় চেয়ারম্যান- ইয়াছিন আরাফাত রুবেল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলের চেয়ারম্যান-আশরাফ আলী হাওলাদার, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান-আবু আহাদ আল মামুন, বাকশালের মহাসচিব-কাজী মো. জহিরুল কাইয়ূম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-এনামুল হক প্রিন্স, বোয়াফ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীকুল আলম টিটু, মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, প্রজন্ম ফোরামের সভাপতি-রাজীব আহমেদ, বাংলাদেশ দেশপ্রেমিক পার্টির চেয়ারম্যান-অধ্যক্ষ ডাঃ গোলাম মোর্শেদ হাওলাদারসহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।