কুয়াকাটায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬ পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

2

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুর থেকে পাচারকালে কলাপাড়ায় ছয় লাখ ৭৭ হাজার ৫৬ পিস ইয়াবার বিশাল চালানসহ রোহিঙ্গা উখিয়ার আলমসহ তার সহযোগী টেকনাফের ইব্রাহিমকে র্যাব বরিশালের সদস্যরা গ্রেফতার করেছে। এসময় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, একটি বিদেশী পিস্তল, দুইটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, চারটি মোবাইল সেট, চারটি সীমকার্ড ও নগদ ১৯৭৫ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
কলাপাড়ার শেখ কামাল সেতুর টোল পয়েন্ট থেকে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে এদের গ্রেফতার করে। র্যাব-৮ বরিশালের অভিযানিক দল ধারনা করছেন, মৎস্যবন্দর মহিপুর-আলীপুরের শিববাড়িয়া নদী থেকে ট্রলারযোগে ইয়াবার এই বিশাল চালান এসেছে। সাগরপথে ইতোপুর্বেও একাধিক চালান আসে। স্থানীয় কোন গডফাদার এর সঙ্গে জড়িতের বিষয়টি একাধিক সংস্থা খতিয়ে দেখছেন।
ইতোপুর্বে ইয়াবাসহ এক ট্রলার মাঝির স্ত্রী খাদিজা ধরা পড়ে। কিন্তু মহিপুর থানা পুলিশ এনিয়ে ঘাটেনি। মূলতঃ নৌপথকে নিরাপদ ভেবে আলীপুরে বসবাসরত সেখানকার একাধিক চিহ্নিত রোহিঙ্গা সদস্য দীর্ঘদিন মাদকের ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু এদের নিয়ন্ত্রক গডফাদাররা ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে। এক মাদক কারবারি সোহেল খাঁ কয়েক মাস আগে গা-ঢাকা দিয়েছে। তাঁদের গডফাদাররা এখন সন্তর্পনে মহিপুর পুলিশের কিছু এজেন্টদের কারণে আইনের ফাঁকে থেকে ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে, র্যাবের সফল এবং এযাবতকালের বৃহৎ চালান আটকের খবরটি এখন সাগরপারের কুয়াকাটা-মহিপুর ও আলীপুরের সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে। অনেক মানুষ হতবাক বনে গেছে। তবে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তিও ফিরে এসেছে। এঘটনায় কলাপাড়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বিশাল এই মাদক কারবারি গ্রুপের গডফাদার ইব্রাহিমের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার পশ্চিম পানখালী গ্রামে। তার বাবার নাম মৌলবী মোঃ ইউনুচ। ধৃত আলমের বাড়ি উখিয়া থানার বালুখালী ক্যাম্পের তিন নম্বর সাইটের ৩০ নম্বর বাড়ি। তার বাবার নাম আবুল হোসেন।