বঙ্গোপসাগর উত্তাল; ৩৮ জেলে নিয়ে চার ট্রলার ডুবি

10

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালীঃ কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর হঠাৎ করে উত্তাল হয়ে ওঠেছে। জেলারা গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ করে তীরে ফিরে আসতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে কুয়াকাটা থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে উত্তাল ঢেউয়ের তান্ডবে ৩৮ জেলে নিয়ে চারটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ওইসব জেলেরা অন্য ট্রলারের জেলেদের সাহায্যে তীরে ফিরতে সক্ষম হয়েছে। দূর্ঘটনা কবলিত ট্রলার গুলো উদ্ধার হয়নি বলে জানা গেছে।
ফিরে আসা জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে নাম বিহীন তিনটি ও এফ,বি হাওলাদার নামের একটি ট্রলার নিমজ্জিত হয়। এসময় জেলেরা বয়া (ভাসা) ধরে অন্ততঃ একঘন্টা ভাসমান থাকার পর অন্য ট্রলারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে। নিমজ্জিত হাসান মৃধার ট্রলারে ১১ জন, মো.ফেরদৌস গাজীর ট্রলারে ১০ জন ও কালু মিয়ার ট্রলারে ৭ জন ও অহিদুল হওলাদারের এফ,বি হাওলাদার নামের ট্রলারটি ১০ জেলে এ দূর্ঘটনার শিকার হয় বলে ওই জেলেরা জানান।
তীরে আসা জেলে নান্টু, জাকির ও সোহেল জানান, দীর্ঘদিন পর আবহাওয়া অনুকূলে আসায় হাজার হাজার জেলেরা গভীর সমুদ্রে ইলিশ শিকারে যায়। বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠায় মাছ ধরা বন্ধ করে তীরে ফিরছিলাম। উত্তাল ঢেউয়ের তান্ডবে তারা দূর্ঘটনার শিকার হয়।
মহিপুর কক্সবাজার ফিস’র ম্যানেজার সালাউদ্দিন হাওলাদার জানান, বর্তমানে সাগর প্রচন্ড উত্তাল। মাছ ধরা সকল ট্রলারই তীরে আসতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে মৎস্য বন্দর মহিপুর আলীপুর আড়ৎ ঘাটের শিববাড়িয়া নদীতে অনেক ট্রলার নোঙ্গর করেছে।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি দিদার উদ্দিন মাসুম ট্রলার ডুবির সত্যতা স্বীকার করে বলেন’ যে সময়টায় সাগরে ইলিশ পড়তে শুরু করেছে, সে সময়ে ট্রলার ডুবির ঘটনা মালিকদের ব্যাপক ক্ষতির সন্মুখীন হতে হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।