সেই রিক্’স ক্যাফে!

12

সাদুজ্জামান সম্রাটঃ শফিক রেহমানের সম্পাদনায় যায়যায়দিনে কাজ করার সুবাদে কয়েকটি ভালো ও খারাপ অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে আছি। অনেকটা মাদকাসক্তের মতোই। আর এ কারনে কখনো কোথাও ভালো কোনো সিনেমার নাম শুনলে সেটা না দেখা পর্যন্ত নিজের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। আমার জন্ম বেড়ে ওঠা ও লেখাপড়ার সময়টিতে প্রযুক্তির এতো বিকাশ হয়নি। ফলে ভিসিআর ও পরে ভিসিপিই ছিল পছন্দসই সিনেমা দেখার মাধ্যম। পাড়ার দোকান থেকে ঢাউস সাইজের এক একটি ক্যাসেট ভাড়া নিয়ে ছোটাছুটি করতে হতো। শফিক রেহমানের বাসায় ইংরেজী সিনেমা দেখার আগে আমি বড়ো পর্দায় কোনো ইংরেজী ছবি দেখিনি। ১৯৯৭-৯৮ সালের দিকে প্রথমে কাকরাইলের সার্কিট হাউস রোড়ের ডেমোক্রেসিওয়াচে এবং পরে ইস্কাটনে শফিক রেহমানের বাসায় এক একটি সন্ধ্যা কাটতো এক একটি ছবি দেখে। প্রজেক্টরে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমে ছবি দেখা এবং ছবি সম্পর্কে আগে ও পরে শফিক ভাইয়ের অসাধারণ বিশ্লেষণ সিনেমা দেখার আন্দন্দকে আরো বাড়িয়ে দিতো। সিনেমা দেখা আর মগবাজারের হোটেল তাজের নান এবং গ্রিল চিকেনে কেটে গেছে অনেক সময়। আধুনিক এ সময়ে ইন্টারনেটে নানা ভিডিও শেয়ারিং সাইটে সিনেমা দেখি। তবে নতুন সিনেমার চেয়ে আমাকে এখনো বেশি টানে পুরনো সিনেমাগুলো। আমি বিস্ময়ের সঙ্গে দেখি সে সময়ের প্রযুক্তি ছাড়া কিভাবে এক একটি কালজয়ী সিনেমা তৈরি হয়েছে। সাদাকালো সেলুলয়েডে কিভাবে জীবন্ত হয়ে আছে এক একটি নির্মাণ। এমনই একটি সাদাকালো সিনেমা জীবনে কতোবার দেখেছি গুনে বলতে পারবো না। হয়তো আমার উঠতি বয়েসের আবেগের সঙ্গে ‘কাসাব্ল্যাঙ্কা’ মুভিটি টেনেছিল। আমি সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যে শহরের নামকরণে তৈরি এই সিনেমা সেই ‘কাসাব্ল্যাঙ্কা’ শহরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। সেই শহরের প্রতিটি কোনে কোনে গিয়ে খুজেছি সিনেমার প্রেক্ষাপট ও চরিত্রগুলো।

লস অ্যাঞ্জেলেসের অ্যামেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ২০০৭ সালে পরিচালিত এক জরিপে উঠে আসে, গত ১০০ বছরে যদি তিনটি শ্রেষ্ঠ ছবির নাম করতে হয় তাহলে নিঃসন্দেহে কাসাব্ল্যাঙ্কা হবে তার মধ্যে একটি। প্রেমকে বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে যদি বর্তমান সমাজকেও ব্যাখ্যা করা যায় তাহলে সেই প্রেম হয়ে ওঠে মহৎ, যেটা কাসাব্লাঙ্কা’ ছবিতে খুঁজে পাওয়া যায়। অ্যামেরিকান প্রেমের ছবি হিসেবে কাসাব্লাঙ্কা’র নাম শুরুর দিকেই পাওয়া যায়। পরে আরো অনেক সিনেমাই নির্মিত হয়েছে কাসাব্লাঙ্কা’র অনুকরণে। আজো আটলান্টিকের তীরের মরক্কোর ওই শহরটির পরিচিতি আছে মুভিটির কারণে। অনেক পর্যটক সেখানে ঘুরতে গেলে খুঁজে বেড়ান একটি ক্যাফে, যার নাম রিক্’স কাফে অ্যামেরিকান। সেই বিখ্যাত রিক্’স ক্যাফের খোঁজেই গিয়েছিলাম। পেয়েও গেছি অনায়াসে। ছোট্ট এক কাপ কফি তিন ইউরো দিয়ে পান করে নিজের অতৃপ্ত আত্মাকে সান্তনা দেয়ার চেষ্টাও করেছি।

পরিবেশ বিষয়ে লেখালেখির কারনে গত ক’বছর জাতিসংঘের বিশ্বজলবায়ু সম্মেলনে যাওয়া হয়। ২০১৬ সালে কপ-২২ অনুষ্ঠিত হয় মরোক্কোর অন্যতম পর্যটন নগরী মারাকাশ শহরে। এটলাস পর্বতমালায় ঘিরে থাকা ছিমছাম ও গোছানো শহরটি সত্যিই আকর্ষনীয়। পৃথিবীর সবচে’ বড়ো সাহারা মরুভূমির নিকটেই এ শহরটির অবস্থান। বিমান যাত্রায় ঢাকা থেকে মারাকাশে কোনো ফ্লাইট নেই। ঢাকা থেকে সৌদি এয়ারলাইন্সের বিমানে রিয়াদে দীর্ঘ যাত্রা বিরতির পর মরক্কোর অন্যতম পুরনো শহর কাসাব্ল্যাঙ্কায় যেতে হয়। সেখান থেকে গাড়িতে মারাকাশে। বিশ্বজলবায়ু সম্মেলন উপলক্ষ্যে কাসাব্ল্যাঙ্কা থেকে মারাকাশ পৌছানোর গাড়ির ব্যবস্থা আয়োজকরাই করেছিল। গাড়ির সামনে পেছনের প্রটোকল দিয়ে অনেকটা ভিআইপির মতোই আমাদের নিয়ে যাওয়া হয় মারাকাশে। সম্মেলনের ১০টি দিন কাটে খুবই ব্যস্ততা ও ঘোরাফেরায়। অদ্ভুত সুন্দর শহর মারাকাশকে আরো মোহনীয় করে তুলেছে এ্যাটলাস পর্বতমালা। সম্মেলনের শেষ তারিখ ও আমাদের ফিরতি যাত্রায় ব্যবধান ছিল মাত্র একদিনের। সম্মেলনে অংশ নেয়া আমার এক বাল্যবন্ধু সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যের জোরাজুড়িতে তার সঙ্গেই কাসাব্ল্যাঙ্কা ফিরি রাবাতের বাংলাদেশ দূতাবাসের দেয়া গাড়িতে। তাকে বিমানে তুলে দিয়ে গাড়িটি ছিল আমাদের ভ্রমণের জন্য। আমার ছোট ভাইতুল্য এক সাংবাদিককেও নিয়ে এসেছিলাম। মারাকাশে অবস্থানরত বন্ধুদের কাছ থেকে নিউজ ধার করে শেষ দিনের কাজ সেরেছিলাম।

কাসাব্ল্যাঙ্কায় আমরা উঠি হোটেল সেন্ট্রালে। হোটেলটি কাসাব্ল্যাঙ্কা বন্দরের কাছাকাছি। আটলান্টিকের তীরে অসম্ভব সুন্দর ও সাজানো গোছানো একটি শহর কাসাব্ল্যাঙ্কা। শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আমরা ঘুরে দেখি। ২০০০ বছরের পুরনো লাইট হাউস, বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদ বাদশা হোসেন মস্ক, কাসাব্ল্যাঙ্কা পোর্ট, আটলান্টিকের সুর্যাস্ত কিংবা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর মরোক্কান মল। আটলান্টিকের নীল পানি বিপুল ঢেউয়ে আছড়ে পড়া কিংবা সমুদ্র শাসন করে গড়ে তোলা হাসান মস্ক বিস্ময় জাগালেও মনে একটা অতৃপ্তি থেকে যায়। মনের মধ্যে কেবলই বাজে কাসাব্ল্যাঙ্কা সিনেমার সেই গান, “Oh, a kiss is still a kiss in Casablanca/But a kiss is not a kiss without your sigh/Please come back to me in Casablanca”। মনের অজান্তেই খুঁজতে থাকি সেই রিক্’স ক্যাফে।

মরোক্কো’র কাসাব্লাঙ্কা শহরেই সিনেমাটির মূল কাহিনি গড়ে উঠেছে বলা চলে। একটি বিয়োগান্তক প্রেম কাহিনি হচ্ছে সিনেমাটির উপজীব্য। শহরের এক ক্যাফে’র মালিক ও তার পুরনো প্রেমিকাকে নিয়েই আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। মেয়েটি তার স্বামীর হাত ধরে আমেরিকার পথে পা বাড়ায়। এই চলার পথেই দেখা হয় পুরনো প্রেমিকের সঙ্গে। তার মন চায় কাসাব্লাঙ্কায় থেকে যেতে। কিন্তু সঙ্গে যে তার স্বামী! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথমদিকে আমেরিকান রিক ব্লেইন পালিয়ে আসেন কাসাব্লাংকায়। এখানে তিনি গড়ে তোলেন শহরের সবচেয়ে নামকরা ক্যাফে, রিক্’স ক্যাফে অ্যামেরিকান। যেখানে শহরের সব নামিদামি লোকজনের আনাগোনা। সেই সময় নাজিদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে অনেক শরণার্থীই আশ্রয় খুঁজছে আমেরিকায়। আর আমেরিকা যাওয়ার জন্য দরকার এক্সিট ভিসা যা পাওয়া যেতে পারে কাসাব্ল্যাঙ্কায়। ঘটনাক্রমে ট্রানজিটের দুটো কাগজ পায় রিক। তিনি জানতে পারেন যে একজন নামকরা চেক আন্ডারগ্রাউন্ড বিপ্লবী নেতা ভিক্টর লাজলো কাসাব্লাঙ্কায় এসেছেন। আর তাকে ধরার জন্য খুঁজছে নাজিরা। এক সময় রিক বিস্ময়ের সঙ্গে আবিস্কার করেন যে ভিক্টর লাজলো একজন নারীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন, যার নাম ইলসা। এবং তাকে রিক চেনেন।

রিকের পুরনো প্রেমিকা ইলসা। যার সঙ্গে ফ্রান্সের প্যারিসে চমৎকার সময় কেটেছিল তার, আবেগঘন উষ্ণ প্রেমের সময়। রিকের সঙ্গেই ইলসার যাওয়ার কথা ছিলো। যখন তিনি চলে আসার জন্য ট্রেনে উঠছিলেন ঠিক সে সময় ইলসা চিঠির মাধ্যমে তার অপারগতার কথা জানান। সেই প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ইলসা এসে যখন রিকের সাহায্য চায় তখন রিক গোপনে লাজলো আর ইলসাকে পালাতে সাহায্য করেন। শেষসময় এমন একটি মুহূর্ত আসে যখন রিক বললেই ইলসা তার কাছে থেকে যেতেন। সিনেমাটির সবচেয়ে নীরব উত্তেজনাপূর্ণ এই দৃশ্যটি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।

১৯৪২ সনে নির্মিত সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৪৩ সনের ২৩ জানুয়ারি। এটি একটি হলিউড মাস্টার-পিস। সিনেমাটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। পরিচালনা করেছেন হাঙ্গেরিয়ান পরিচালক মিশেল কারিজ। সিনেমাটি সেরা সিনেমা, সেরা ডিরেক্টর এবং সেরা কাহিনি ও চিত্রনাট্যের অস্কার পুরস্কার জিতে নেয়। এর বাইরে আরো আটটি ক্যাটাগরিতে অস্কার নমিনেশন পেয়েছিল সিনেমাটি। ১৪২ মিনিটের শাদা-কালো এই সিনেমার মূল কাহিনি নেয়া হয় ‘এভরিবডি কামস টু রিকস’ নাটক থেকে। লিখেছেন মারে বার্নট ও জোন অ্যালিসন। চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন জুলিয়াস ইপস্টন, ফিলিপ ইপস্টন এবং হাওয়ার্ড কোচ।

কাসাব্ল্যাঙ্কা সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে রিক ব্লেইনের ভূমিকায় অভিনয় করেন হ্যামফ্রে বোগার্ট, ইলসার ভূমিকায় অভিনয় করেন ইনগ্রিড বার্গম্যান, নিগ্রো পিয়ানোবাদক স্যামের ভূমিকায় অভিনয় করেন ডুলি উইলসন এবং পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেন ক্লড রেইন্স। এছাড়া ভিক্টর লাজলোর ভূমিকায় অভিনয় করেন পল হেনরিড। যদিও কাসাব্লাঙ্কা সিনেমায় হামফ্রে বোগার্টের অভিনয় এখানো সিনেমা সমালোচকদের কাছে আলোচনার বিষয় হয়ে আছে, তথাপি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে ইলসারূপী ইনগ্রিড বার্গম্যান। এই সিনেমা দেখেই প্রথম তার প্রেমে পড়ে যাই। সেই চাহনি, সেই চুম্বনের দৃশ্য, সেই অশ্রু বারবার টেনে টেনে দেখেছি। এখানে এসে সেই ক্যাফে দেখে যেতে পারবো না-এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। তাই রবিউলকে নিউজ লিখতে হোটেলে রেখেই বেরিয়ে পরি রিকস ক্যাফে খুঁজতে। হোটেল সেন্ট্রালের ফ্রন্ট ডেঙ্কে মরোক্কান যুবককে রিক্’স ক্যাফের কথা জিজ্ঞেস করতেই জানালেন হোটেল থেকে হাটার দূরত্বেই এই ক্যাফে। কাসাব্ল্যাঙ্কা পোর্টের কাছেই এই ক্যাফেটির অবস্থান। রিকস ক্যাফেতে পৌছেই থমকে গেলাম। কারন এটি খোলার নির্দিস্ট সময়ের অনেক আগেই আমি গিয়েছি। দিনে দু’বার খোলা হয় এই ক্যাফে। একবার সকাল ১২টায় খুলে বিকেল ৩টায় বন্ধ হয়ে যায়। আরেকবার বিকেল ৬টা ৩০ মিনিটে খুলে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে। এখানে যেতে হলে আগে থেকেই রিজার্ভেশন দিতে হয়। ব্যাপক নিয়ম-কানুন দেখে কিছুটা বিরক্ত লাগলেও রিক’্স ক্যাফে দেখে ভেতরে ভেতরে একটা উত্তেজনা কাজ করলো।

আমি রিজার্ভেশন দিয়ে হোটেলে ফিরেই ঢাকায় নিউজ পাঠাই। এরপর রবিউলকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। ওর হাতে ডিএসএলআর ক্যামেরা ছিল। রিক্’স ক্যাফের ভেতরের পরিবেশ আগের আদলটাই ধরে রেখেছে। ভেতরে কাসাব্ল্যাঙ্কা সিনেমার বেশ কয়েকটি পোস্টার রয়েছে। নায়ক-নায়িকারও ছবি রয়েছে সাদাকালো। খাবারের দাম বেশ চড়া। অন্য যেকোনো ক্যাফে বা রেস্টুরেন্টের চেয়ে অনেক বেশি। তিন ইউরোতে কফি পান করেই বিদায় নিলাম। কাসাব্ল্যাঙ্কা শহরটি ইউরোপের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে বিদেশিদের কাছে এরা ইউরো’ই চায়। আপনি কোনো কিছু কিনতে চাইলে এমনকি ট্যাক্সি নিতে চাইলেও ইউরোতেই দর হাকাবে। বেশ কিছু সময় কাটিয়ে অন্যরকম এক আনন্দে ভরে গেলো মনটা। ক্যাফের গেটে সবসময় কোর্ট-টাই পড়ে দাড়িয়ে থাকেন এক ব্যক্তি। যেনো সিমেমার সেই নিগ্রো পিয়ানো বাদক। ফেরার সময়ে তার সঙ্গে কথা বললাম, ছবি তুললাম। এতো দূর থেকে রিকস ক্যাফে দেখতে এসেছি জেনে বিস্মিত হলেন।

রিক্’স ক্যাফে দেখার পরে আর সময় নষ্ট না করেই হোটেল ফিরে গেলাম। সন্ধ্যায় ফ্লাইট শিডিউল থাকায় হোটেল থেকে হাটাপথের দূরত্বে রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে সোজা এয়ারপোর্টের ট্রেন ধরলাম। মারাকাশে অবস্থানরত বন্ধুরা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সময় স্বল্পতার কারনে কাসাব্ল্যাঙ্কা শহরে যেতে পারলেন না। জেনে রাখা ভালো যে, কাসাব্ল্যাঙ্কা এয়ারপোর্ট থেকে মূল শহরের দূরত্ব ৩৮ কিলোমিটার। ফলে সফরসঙ্গী অন্য বন্ধুরা আটলান্টিকের পূর্ব তীরটি দেখতে পারলেন না। আমার বন্ধু মন্ত্রিসভার সদস্যের সেদিনের জোরাজুড়িতে মন খারাপ হলেও পরে ভালোই লেগেছে কাসাব্ল্যাঙ্কা দেখার সুযোগ পেয়ে। বিশেষ করে রিক্’স ক্যাফে। অবশ্য তার জন্য এখনও ধন্যবাদ জানানো হয়নি তাঁকে।

-লেখকঃ আসাদুজ্জামান সম্রাট, সিটি এডিটর, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি।