ভান্ডারিয়ায় হতদরিদ্র ৭ নারীর ভিজিডি কার্ড মেম্বরের পকেটে

6

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধিঃ সরকারী নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গী দেখিয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের ভিজিডি কার্ড তালিকা ভুক্ত হওয়া ৭ হতদ্ররিদ্র নারীর চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ৩ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য ইবনে মাসুদ বাবুর বিরুদ্ধে। ওই সকল তালিকা ভুক্ত নারীরা কোন চাল পাচ্ছেনা। ফলে উক্ত মেম্বারের দূর্ণীতি ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে ভুক্তভোগি ৭ নারী লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
অভিযোগে জানাযায়, উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভিজিডি কার্ডের তালিকায় থাকা হতদরিদ্র হাদীসের স্ত্রী পারভীন বেগমের কার্ড নং ১৫১, জাহাঙ্গীর স্ত্রী জরিনা বেগমের কার্ড নং ১৫৬, রাশেদের স্ত্রী সুমী বেগমের কার্ড নং ১৫৯, রাজ্জাকের স্ত্রী লাইলী বেগমের কার্ড নং ১৬০, কালাম তালুকদারের স্ত্রী নাদিরা বেগমের কার্ড নং ১৬৬, কাওসারের স্ত্রী পারুল বেগমের কার্ড নং ১৭০, আল আমীনের স্ত্রী সীমা আক্তারের কার্ড নং ১৭৪ সহ অনেক অসহায় দুঃস্থ নারীর কার্ডের চাল আজ পর্যন্ত পায়নি এবং তাদের কার্ড ইউপি সদস্যর পকেটে জমা রয়েছে বলে ভুক্তভোগিরা জানান। অপর একটি অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, ইউপি সদস্য ইবনে মাসুদ তালুকদার ইতিপূর্বে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে গৃহনির্মানের জন্য ৫ হাজার টাকার একটি চেক, পূর্ব ধাওয়া খোকন তালুকদার বাড়ীর মসজিদের সংস্কারের নামে পিরোজপুর জেলা পরিষদ থেকে ১ লাখ টাকা, ধাওয়া একতা ক্লাবের নামে সোলার প্যানেল ও পূর্ব ধাওয়া ঈদগাহ মাঠের নামে মন্ত্রীর দেয়া অর্থ বরাদ্ধের কাজ না করে সব আত্মসাৎ করা সহ গ্রামের সহজ সরল লোকদের কাজ থেকে বয়স্কভাতা ও বিধবা ভাতা দেওয়ার কথা বলে টাকা তুলছেন।
ভুক্তভোগি জরিনার স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে ৬/৭ মাস আগে অভিযোগ জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানান। পরভীন বেগম জানায় আমি বারবার ইউপি সদস্য কাছে কার্ডের জন্য ধরনা দিয়েও কোন লাভ হয় নি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য ইবনে মাসুদ তালুকদার বাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ সকল অভিযোগের বিষয় আমি কিছুই জানিনা সব বিষয় চেয়ারম্যান জানেন তবেসোলার প্যানেলটি ক্লাবে না দিয়ে মাসজিদের দেওয়া হয়েছে বলে জানায়।