শাহজাহান খানকে অপসারণ কর

17

যুগবার্তা ডেস্কঃ বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ অবিলম্বে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে সড়কে ˆনৈরাজ্য দূর করতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মো. শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় কার্যপরিচালনা কমিটির সদস্য কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী কমরেড জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশরেফা মিশু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহবায়ক কমরেড হামিদুল হক আজ এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের অপসারণও দাবি করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কে যে ˆনৈরাজ্য চলছে তার বিরুদ্ধে স্কুল-কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে এসেছে। শিক্ষার্থীরা শুধু বিক্ষোভেই সামিল হয়নি, তারা উন্নত ট্রাফিক সিস্টেমের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। রাষ্ট্রের বড় বড় প্রতিষ্ঠান, ভিভিআইপিরা কীভাবে দিনের পর দিন আইন অমান্য করে চলছে, শিক্ষার্থীরা তা তুলে ধরেছে। রাস্তা পরিস্কার থেকে শুরু করে নানাবিধ ইতিবাচক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তারা। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ নামের শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছে। নেতৃবৃন্দ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিবাদন জানান।

বিবৃতিতে তারা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ৯ দফা দাবি মেনে নিয়ে সড়কে ˆনৈরাজ্য দূর করতে জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। একইসঙ্গে সড়কে ˆনৈরাজ্যের অন্যতম হোতা নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের অপসারণ দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আন্দোলন দমন করতে সরকার নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। ভীতিকর ও আতĽজনক পরিস্থিতি ˆতরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্রেফতার শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সরকারি দলের কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য সরকার নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার কারণে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বেআইনিভাবে পরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকার ন্যায্য দাবি মেনে না নিয়ে যদি হামলা করে বা চালাকি করে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করে তবে তার পরিণতি ভালো হবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।