নেশা ছেড়ে কলম ধরি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি

38

অন্তু আহমেদ, জবি : মাদক একটি নেশা, এই নেশার বদঅভ্যাস থেকে আমাদেরকে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। প্রথমে হয়তো সিগারেট, তামাক ও গুল দিয়ে নেশা শুরু করে পরে ভয়ানক ছোবলের দিকে চলে যায়। তাই সামাজিক ফোরামগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশে এখন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও তারা মাদক বিরোধী অভিযানে যথেষ্ট সফলতার দাবিদার।

মঙ্গলবার ‘মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠনে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এইসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র সমাজকে মাদক থেকে মুক্ত করতে হলে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদেরকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত রাখতে হবে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান মুকুল-এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা বক্তব্য প্রদান করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হুদা-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (উত্তর) সহকারী পরিচালক মো. খোরশিদ আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (দক্ষিণ) সহকারী পরিচালক শামসুল আলম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম বক্তব্য প্রদান করেন।

এছাড়াও প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল অদুদ ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এদিকে সকালে এ উপলক্ষে ‘নেশা ছেড়ে কলম ধরি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’ স্লোগানকে সামনে রেখে মাদক বিরোধী এক র‌্যালি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান-এর নেতৃত্বে র‌্যালিটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মধ্যে ছিল- সঙ্গীত, নৃত ও কবিতা আবৃত্তি।এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মাদকের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।