বরিশালে গৃহবধুকে ধর্ষণের পর হত্যা

7

বরিশাল অফিসঃ কাজিরহাটে গৃহবধুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আট জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করা হয়েছে। গতকাল নিহত গৃহবধুর পিতা আলী আকবর চৌকিদার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু আজাদ শামীম মামলাটি থানায় হওয়া অপমৃত্যু মামলার প্রতিবেদক সাপেক্ষে আদেশের জন্য রাখেন।

মামলার অভিযুক্তরা হলো, কাজিরহাট মাঝগ্রামের বাসিন্দা মিলন ফকির তার ভাই লালন ফকির তাদের বাবা দুলাল ফকির, একই এলাকার রাজ্জাক চৌকিদারের ছেলে বাবু চৌকিদার। আরো রয়েছে কাজিরহাট ভাষানচর ইউনিয়নের খলিসার উত্তরপাড়ের বাসিন্দা নুরুজ্জাল দেওয়ানের ছেলে নেছার দেওয়ান, কামরুল খা তার ভাই মাইদুল খা ও ইউনুস খা এর ছেলে শুক্কুর খা।

মামলা সুত্রে জানাগেছে, সুরমা আক্তার সুখির স্বামী বিদেশে থাকে। মিলন ফকির তাদের পুর্ব পরিচিত হওয়ায় প্রায়ই তাদের বাসায় যাতায়াত করতো। ঘটনার কিছুদিন আগে মিলন ফকির বাদীর পরিবারের কাছে জানায় সুখির স্বামী বিদেশ থেকে মালামাল পাঠিয়েছে যা ঢাকায় আছে সুখিকে গিয়ে নিয়ে আসতে হবে। মিলনের কথা বিশ্বাস করে পরিবারের সম্মতিতে গত ১০ মে মিলনের সাথে ঢাকা যায় সুখি।

পরে তার আর কোন সংবাদ না পাওয়ায় খোজাখুজির এক পর্যায়ে ২৩ মে রাতে জানতে পারে সুখির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ঢাকার আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে বাদী আলী আকবর থানায় গিয়ে জানতে পারে মিলন অন্যান্য আভিযুক্তদের সহযোগিতায় সুখিকে ঢাকা নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষন করে। এতে সুখি প্রতিবাদ করায় তাকে পরস্পর সহযোগিতায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে। এ ঘটনায় মামলা করা হলে বিচারক ইউডি মামলার প্রতিবেদন শেষে আদেশের জন্য রাখেন।