অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

4

যুগবার্তা ডেস্কঃ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমিয়ে কৃষি-শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে কেন্দ্রঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল(মার্কসবাদী)-এর উদ্যোগে আজ রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে সমাবেশ ও পরবর্তীতে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যপরিচালনা কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন দুলাল, মানস নন্দী, জহিরুল ইসলাম, ফখ্রুদ্দিন কবির আতিক।

মিছিল শেষে একটি প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি পেশ করেন।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, “আগামীতে যে (প্রায়) ৪ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণীত হবে, তাতে বর্তমান অর্থবছরের চেয়ে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা আরো ৫০ হাজার কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। বিগত কয়েক বছরের বাজেট বিবেচনায় দেখা যাবে, প্রতিবারই ট্যাক্সের আওতা ও পরিধি বেড়েছে আর সাধারণ জনগণের ওপর ব্যয়ের বোঝা চেপেছে। এমনিতেই দ্রব্যমূল্য, জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের প্রকৃত আয় কমেছে। কেবলমাত্র চালের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ৫ লক্ষ পরিবার দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে গেছে। ওএমএস-এর যে চাল অল্পসংখ্যক মানুষ ১০ টাকায় কিনতে পারত, তা এখন ৩০ টাকা। অথচ উৎপাদক কৃষক এবারও দাম পায়নি। ফসল ফলানোর সময় উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি, বিক্রির কালে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে বিক্রি করে কৃষক হারাচ্ছে তার সম্বল। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরা রেশন সুবিধা ভোগ করেন, অথচ বছরের অর্ধেকের বেশি সময় কর্মহীন কৃষকের জন্য রেশনের ব্যবস্থা নেই। শ্রমিকের নেই বাঁচার মত মজুরি। গার্মেন্টস থেকে ˆবদেশিক মুদ্রার ৮১ ভাগ অর্জিত হলেও শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি মাত্র ৫৩০০ টাকা। অথচ গার্মেন্টস মালিকরা কর ছাড়, নগদ সহায়তাসহ নানা সুবিধা পেয়েছে। এ অর্থবছরেও বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে কর তুলে দেয়ার দাবি করা হয়েছে।”