বন্দুকযুদ্ধে ১০ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

20

যুগবার্তা ডেস্কঃ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১০ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত এবং রবিবার ভোরে এসব ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন পৌর কাউন্সিলর মারা যান। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। এদিকে চট্টগ্রাম, খুলনা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চাঁদপুর, মেহেরপুর, বাগেরহাট, ময়মনসিংহ ও নোয়াখালীতে আরও ৯জন নিহত হয়েছে।
খুলনায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবুল কালাম মোল্লা (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাতে দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর গ্রামের খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটেছে। কালাম যশোরের অভয়নগর উপজেলার ইছামতি গ্রামের কাইয়ুম মোল্লার ছেলে। তিনি মাদকের পাইকারি বিক্রেতা ছিলেন।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেলিম (৩৭) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীর ডোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেলিম উপজেলার উপাদী ইউনিয়নের সালামত উল্যাহর ছেলে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মীরডাঙ্গী এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রফিকুল ইসলাম তালেবান (৫৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানান।

মেহেরপুরের গাংনীতে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘গোলাগুলিতে’ হাফিজুর রহমান হাফি (৪৮) নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে। রবিবার ভোরে উপজেলার গাড়াবাড়ীয়া বাথানপাাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান গাংনী থানার ওসি। হাফিজুর রহমান হাফি গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজপাড়ার মৃত হারেজ উদ্দীনের ছেলে। তার নামে দুই ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে রফিকুল ইসলাম লিটন (৪০) নামে মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। উপজেলার বড়দাহ জামতলা এলাকায় শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। শৈলকুপা থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, রফিকুল উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের হাকিম মোল্লার ছেলে।

ময়মনসিংহ জেলা নগরীর মরাখলা এলাকায় মাদক বিক্রেতারা মাদক ভাগাভাগি করছে এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছুড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। কথিত বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হাসান নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বানুয়াই গ্রামের মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে হাসানের বিরুদ্ধে ২১টি মামলা রয়েছে।

কুষ্টিয়ার সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হালিম মণ্ডল (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া মডেল থানা সূত্র জানান, শহরের হাউজিং ডি ব্লক মাঠে শনিবার রাত দেড়টার দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ওই ব্যক্তি সদর উপজলার বড়িয়া গ্রামের সেলিম মণ্ডলের ছেলে।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মিটুল বিশ্বাস (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার চিংগুড়ি গ্রামের খোকা বিশ্বাসের ছেলে।

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন ও পৌর এলাকার কায়ুকখালী গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। কক্সবাজার র‌্যাব ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর রুহুল আমিন জানান, শনিবার দিবাগত রাতে বাহারছড়া ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালীয়া পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী এবং র‌্যাবের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একরামুল হক নিহত হয়েছেন।