আইনী প্রক্রিয়ায় গেলে রামপালসহ চুক্তিগুলো বেআইনী ঘোষিত হবে…..জাতীয় কমিটি

2

যুগবার্তা ডেস্কঃ দায়মুক্তি আইন বাতিলসহ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ন্ত্রিত দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রাণ-প্রকৃতি বিনাশী প্রকল্পের প্রতিবাদে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর কমিটির আহবায়ক জুলফিকার আলী, মনির উদ্দিন পাপ্পু। এছাড়া সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ জহির চন্দন, টিপু বিশ্বাস, সাইফুল হক, আজীজুর রহমান, মোশরেফা মিশু, বজলুর রশীদ ফিরোজ, ফখরুদ্দীন কবির আতিক, মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন আকবর খান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার সমুদ্র জয়ের কথা বলছে কিন্তু সমুদ্র সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলন না করে বিদেশি কোম্পানির সাথে গ্যাস রপ্তানিমুখী চুক্তি করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের আক্রমণের মুখে উপকূল যখন বিপন্ন সরকার তখন উপকূল ধ্বংসী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে ভারত, জাপান ও চীনা কোম্পানিকে ব্যবসা দিচ্ছে। বন ও ভূমি দখল দস্যুদের প্রকল্প অনুমোদন করা হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, দুর্নীতি করে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ালেই উন্নয়ন হয় না। জনগণের ঘাড়ে ঋণের বোঝা চাপিয়ে, তাদের জীবন-জীবিকা ধ্বংস করে প্রকৃতি বিনাশে যত ব্যয় বরাদ্দ হবে ততো সর্বনাশ হবে। সরকার সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মকে ˆবধতা দানের জন্য দায়মুক্তি আইনের মেয়াদ আরো বাড়াচ্ছে।

সভায় ৪ দফা দাবীর ভিত্তিতে ‘অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধ করতে সরকারকে অবশ্যই দায়মুক্তি আইন থেকে সরে আসা, এলএনজি আমদানি নির্ভরতা বন্ধ করে স্থল ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ, সুন্দরবন বিনাশী সকল প্রকল্প এবং শিল্পকারখানা অবিলম্বে বন্ধ এবং জাতীয় কমিটির বিকল্প জ্বালানি প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সমাবেশ থেকে বক্তারা দাবি জানান।’

শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।