ডিজিটাল মিডিয়া প্রচারণা: নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে হবে

37

সঞ্জীব রায়ঃ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নির্বাচনী প্রচরণা বন্ধের ব্যাপারে যে চিন্তাভাবনা ছিল, তা থেকে নির্বাচন কমিশন অনেকটাই পিছপা হয়েছে বলে মনে হয়। ৮ মে’র নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সভার পর তেমনটিই অনুমেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত এই মতবিনিময় সভায় কমিশন সচিবসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরপি, মোবাইল অপারেটর, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ বিষয়টি নিয়ে কমিশন ইতোপূর্বে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছিল এবং ডিজিটাল প্রচারণা বন্ধের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিল।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের যে যাত্রা তার অনেক সুফল হয়তো পেয়েছে জাতি। কিন্তু অনেক সমালোচকের দৃষ্টিতে ডিজিটালের সুফলের চেয়ে কুফলগুলো অনেক ক্ষেত্রেই বড় করে ধরা পড়ে। নতুন ধারার ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ে এই নেতিবাচক অভিমত আমাদের সমাজে পুরনো কিছু নয়। আমাদের দেশের গণমাধ্যম যখন আধুনিক যুগে প্রবেশ করে, তখনো একধারার সমালোচকেরা চোখ কপালে তুলেছিলেন। বাংলাদেশে স্যাটেলাইট টেলিভিশনের যাত্রাপরবর্তী সময়ে আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাবের আগ্রাসনের ভয়কে অনেক বড় করে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমাদের ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, ভয়ে দরজা বন্ধ করে গৃহকোণে লুকিয়ে নয়, বরং বিশ্বায়নের যুগে, ভয়কে জয় করে প্রতিযোগী হয়ে ওঠার মাধ্যমেই এগিয়ে যেতে হবে। টেলিভিশন থেকে শুরু করে, মোবাইল, ইন্টারনেটে সাহসী অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিকেরা বিশ্বদরবারে জানান দিয়েছে নিজেদের সৃজণীশক্তির। সেই বাংলাদেশ তাঁর পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে যখন প্রকৃতঅর্থের ডিজিটাল দেশে পরিণত হবার স্বপ্ন দেখে, তখন সেদেশের রাজনীতি হবে অ্যানালগ!

বাংলাদেশ কতোখানি ডিজিটাল সামর্থ অর্জন করেছে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল প্রচারণার সর্বোচ্চ ব্যবহারের উপর। কিন্তু এরই মধ্যে নির্বচান কমিশনের যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে তা বেশ চিন্তাদায়ক। কমিশনের যে ভয় এবং দুশ্চিন্তা তা অনেককাংশেই যথার্থ, কারণ একটি সমাজ ডিজিটাল হতে গেলে যে ডিজিটাল লিটারেসির প্রয়োজন হয় বাংলাদেশ তার যথেষ্ট অভাব বোধ করে। তবে, এসব তো ভীষণ তত্ত্বীয় ব্যাপার; কবে আমাদের সমাজ শুরু থেকে সবকিছু শিখেপড়ে সামনে এগিয়েছে? কিন্তু এগিয়ে চলা তো কখনো থেমে থাকেনি। ঠিক একইভাবে, আমাদের দেশের রাজনীতির ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করাটাও কোন আনুষ্ঠানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতির মধ্য দিয়ে হয়নি। ২০১০ থেকে ২০১৫, এই পাঁচ বছরকে যদি আমরা ডিজিটাল রাজনীতি বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উল্লখযোগ্য সময়কাল হিসেবে গ্রহণ করি, তবে দেখা যাবে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ডিজিটাল রাজনীতি অনন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম। একদিকে যেমন রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, সাংসদেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত হয়েছেন তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোও ডিজিটাল মিডিয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে। আর অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ রাজনীতির এই নতুন ধারায় যুক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এক্টিভিটির মধ্য দিয়ে। যদিও, তথ্য-প্রযুক্তি আইনের প্রশ্নবিদ্ধ ধারা এবং সেসবের ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাধীন মত প্রকাশে বিঘ্ন ঘটানোর মতো উদাহরণগুলো ডিজিটাল রাজনীতি বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তবুও যদি আগামীতে ডিজিটাল রাজনীতির ধারাকে এগিয়ে নিতে হয়, তাহলে বিবেচনায় রাখতে হবে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ডিজিটাল নির্ভরতার সুযোগ কতোটা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে।

বিশ্বের বৃহৎ গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভারত দেখিয়েছে, ডিজিটাল রাজনীতি কেমন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৪ সালে বিজেপির ক্ষমতায় আসার মূল হাতিয়ার ছিলো ডিজিটাল প্রচারণা। সেসময় অরভিন্দ গুপ্তার নেতৃত্বে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারণা সেল বিশেষ টিম গঠন করে ‘মোদি ব্র্যান্ডিং’ করেছিলো। এর পাশাপাশি, নির্বাচনী প্রচারণা ও পলিটিক্যাল ব্র্যান্ডিং এর জন্য ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ নিয়োগ করা হয়েছিল। অনেকেই বলেন, এমই একটি গ্রুপ সেসময় ডিজিটাল প্রচারণার প্রস্তাব নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী তাদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে, যেদেশে সাধারণ মানুষের কাছে প্রধান সংকট দারিদ্র্য সেখানে, সোশ্যাল মিডিয়ার মতো আধুনিক এবং ‘এলিট’ ব্যাপার কতোটা কার্যকর হবে। কিন্তু সেই একই প্রস্তাব লুফে নেন নরেন্দ্র মোদি এবং সাফল্যও পান বেশ। আর যারই ফলশ্রুতিতে, নির্বাচনপরবর্তী সময়ে অরভিন্দ গুপ্তার নেতৃত্বে আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া সেলকে বিজেপির প্রধান কার্যালয়ে স্থায়ী ঠিকানা দেয়া হয় যেখান থেকে পার্টির দৈনন্দিন ডিজিটাল কর্মসূচি পরিচালতি হয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুধুমাত্র দিল্লীতেই বিজেপির দু’শ ডিজিটাল-কর্মী কাজ করতো। এর আগে দিল্লীতে আম আদমি পার্টির ক্ষমতায় আসার পেছনে ডিজিটাল নির্ভরতার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য যার অন্যতম কারিগর ছিলেন আনকিত লাল। আনকিতের মতে, বিজেপি ডিজিটাল প্রচরণার ক্ষেত্রে ট্রলিংকে (উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে কুৎসা রটনা এবং অন্যকে হেয় করা) প্রাধান্য দিয়েছে এবং রোবোটিক কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিপক্ষকে আঘাত করছে। বিরোধীদলের মতে, বিজেপি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের সরকারি প্রকল্প যেমন ডিজিটাল-ইন্ডিয়া-ইনিশিয়েটিভ দলীয় প্রচারণার জন্য কাজে লাগাচ্ছে। আবার অনেকের দাবি, ডিজিটাল প্রচারণা এবং নির্বাচনী রাজনীতির জন্য এই দলটি বর্হিবিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছে যারা অনত্র বসে ট্রলিং এবং বটিং (্ওয়েব বটিং- সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অটোমেটিক পদ্ধতিতে পরিচালনা) করছে। সার্বিকভাবে, প্রধানমন্ত্রী মোদি, তার দল বিজেপি এমনকি তাদের সহায়ক শক্তি আরএসএস এই মুহূর্তে অন্যান্য যে কোন দলের চেয়ে ডিজিটাল নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে। আমার অতিসম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, আগামী লোকাসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপির ডিজিটাল প্রচারণা টিম কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির চেয়ে বহুগুণে এগিয়ে। এমনকি, কংগ্রেস বা এএপি এর ডিজিটাল প্রচারণার টিমের সদস্যরাও এ বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। তবে, কেউই কখনো নির্বাচনে ডিজিটাল প্রচারণা বন্ধের কোন দাবি তুলেননি। ভারতের ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি উল্লেখযোগ্য নয়, সেখানে ডিজিটাল প্রচারণার নামে রাজনৈতিক নোংরামি আর সংঘাত প্রবল আকারও ধারণ করে, কিন্তু ডিজিটাল রাজনীতির মর্ম বুঝে, নির্বাচনী প্রচারণায় ডিজিটাল মিডিয়ার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি।

ভারতের উদাহরণটি এ কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ যে, সেখানকার নির্বাচন কমিশনও শুরুতে বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল। দেশটির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মি. কোরায়েশী এ বিষয়টিকে নির্বাচনী বিধিমালার অংশ হিসেবে আনতে চেয়েছিলেন। একইসাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী প্রচার করা হবে, তা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত করার বিধান রাখার ব্যাপারে বলেছিলেন। সেসময় ডিজিটাল প্রচারণার নামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীত নষ্ট হয় এমন সব কন্টেন্ট প্রচার নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন বেশ বিরক্ত ছিলো। যার প্রেক্ষিতে বিশেষ নজরদারি জোরদরা করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এসবের ফলশ্রুতিতে নির্বাচনী প্রচারণায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নির্ভরতাকে নাকচ বা নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়নি। বরং সোশ্যাল মিডিয়াকে নির্বাচনের অংশ করার কার্যকর ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ পরামর্শ সভার আয়োজন করে। সব মহলের অংশগ্রহণে সেই পরামর্শ সভা থেকে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয় যা নির্বচানী প্রচারণায় ডিজিটাল মিডিয়ার ভূমিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যক্রমের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারে। সুপারিশে বলা হয়, বিধিমালায় সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণার জন্য একটি আলাদা শিরোনাম যুক্ত করতে হবে। কোন এজেন্সি যদি প্রচারণা করে থাকে, তাহলে বিজ্ঞাপনের গায়ে এজেন্সির নাম থাকতে হবে। টেলিভিশন এবং পত্রিকার বিজ্ঞাপনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনমূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কী কন্টেন্ট ব্যবহার করা হবে তা এমসিএমসি (মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড কনটেন্ট মনিটরিং কমিটি) দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের সাথে ডিজিটাল মিডিয়া খাতে খরচ কমিশনের দ্বারা অনুমোদিত ও প্রদর্শিত হতে হবে। এই সুপারিশে আরো বলা হয়, নির্বাচন কমিশন এই ডিজিটাল নির্বাচনী প্রচারণা তথা ডিজিটাল রাজনীতির প্রতিক্রিয়াকারী নয় বরং সহায়কের ভূমিকা পালন করবে। আর তার জন্য, বিশেষ সফটওয়্যার এবং ডিভাইস রাখার ব্যবস্থা করতে হবে যার মাধ্যমে অনলাইন ট্র্যাকিং এবং ট্রাফিকিং করা যায়। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন প্রচারণার সময় সার্বিক পর্যবেক্ষকের জন্য অভিজ্ঞ কনসালটেন্সি গ্রুপকে নিয়োজিত করা যেতে পারে।

অনেকেই আমাদের নির্বাচন কমিশনের লোকবলের অভাব এবং প্রশিক্ষিণের সক্ষমতার দোহাই দিয়ে ডিজিটাল প্রচারণার বিরুদ্ধে কথা বলেন। কিন্তু যে বিষয়টি আমরা আবারো ভুলে যাচ্ছি, কবে আমাদের নির্বাচন কমিশন লোকবল পাবে আর প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি করবে সেদিনের আশায় যদি আমরা বসে থাকি, তাহলে ডিজিটাল রাজনীতির অগ্রযাত্রা থমকে যাবে। মানুষ কিন্তু থেমে নেই, ঠিক তেমনি পিছিয়ে নেই রাজনীতিকরা। প্রতি সেকেন্ড রাজনীতি চলছে, সবার হাতের মুঠোয় রাজনীতি, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে রাজনীতি, আঙ্গুলের স্পর্শে রাজনীতি, লাইক-কমেন্ট-শেয়ারে রাজনীতি। এটা ডিজিটাল রাজনীতিকে সংকুচিত করার সময় নয়। বরং এই চর্চাকে চলতে দিতে সুস্থ পরিবেশ এবং যথাযথ কাঠামো তৈরির সময়। নির্বাচন কমিশনের পিছিয়ে থাকা উচিৎ হবে না। জনগণ ইতোমধ্যেই এক্টিভ্যাটেডে, সব রাজনৈতিক দলগুলোকে এখন ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল রাজনীতির চরিত্র কেমন হবে তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো কতোট সুস্থ ডিজিটাল নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারে তার উপর। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফেইসবুক নয়, ইউটিউব, ইউটিউব লাইভ, ভিজ্যুয়াল অ্যাড, মাল্ডিমিডিয়া প্রজেকশনের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে সহজে পৌছানোর কৌশলগুলো রাজনৈতিক দলগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। গতানুগতিক রাজনীতির সাথে যখন এই আধুনিক এবং ডিজিটাল রাজনীতির মেলবন্ধন ঘটবে তখনই কেবল ডিজিটাল বাংলাদেশ গতিশীল হবে। আর সেক্ষেত্রে বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারণার জন্য, নির্বাচন কমিশনকে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে। নিষিদ্ধ করে নয়, বরং নির্দিষ্ট আইন এবং কাঠামো তৈরির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সেই ভূমিকা পালন করতে পারে। নির্বাচন কমিশন যে এ বিষয়ে ইতিবাচক ভাবতে শুরু করেছে, তা আরো সামনে এগিয়ে নিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মিডিয়া সেলকে ডেকে নিয়ে বৈঠক করতে হবে এবং একটি সামগ্রিক উদ্যোগ নিতে হবে ॥
-লেখক: গণমাধ্যমকর্মী, দিল্লীতে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণারত।