কিমের দক্ষিণ কোরিয়া সফর

9

যুগবার্তা ডেস্কঃ ঐতিহাসিক সফরে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। এ বৈঠক নিয়ে এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্র।

কিম দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছানোর পট দক্ষিণ কোরিয়ার পানমুনজামের ডিমিলিটারাইজড জোনের প্রাণকেন্দ্রে পিস হাউসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন-এর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন কিম জং উন।

রুদ্ধদ্বার এ বৈঠকে তারা পরমাণু বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় বেশকিছু অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করছেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টায় দুই কোরিয়ার নেতা সীমান্তে উপস্থিত হয়ে হাত মেলান। দক্ষিণ কোরিয়ায় কিম জং উন পা রাখার পর দুই নেতা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। এরপরই কিমের অনুরোধে উত্তর কোরিয়ার মাটিতে কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়ান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। পরে তারা অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজির হন। আনুষ্ঠানিতকা শেষে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয় দুই নেতার বৈঠক। আলোচনা চলবে মধ্যাহ্নভোজনের বিরতির আগ পর্যন্ত।

উভয় কোরিয়ার বিরল বৈঠকটি সাম্প্রতিক সময়ের প্রধানতম আন্তর্জাতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। কোরীয় সম্মেলনের দিনে তাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চল পানমুনজামের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
তাদের আলোচনার মধ্যে অন্যতম এজেন্ডা হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেঠক। এছাড়া দুই কোরিয়ার একত্রীকরণ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে পুনর্মিলন কিংবা একত্রীকরণ নিয়েও ইতিবাচক ফলাফল আসবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পর্যটন খাত এবং সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের ইস্যুগুলো আলোচনায় উঠে আসবে।

এর আগে গত ৬৫ বছরে দুই কোরিয়ার নেতারা দুইবার আলোচনায় বসেছিলেন ঠিকই; কিন্তু দুইবারই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল পিয়ংইয়ং এ। কোরীয় যুদ্ধ অবসানের ৬৫ বছর পর এবারই প্রথম কোনও উত্তর কোরীয় রাষ্ট্রনায়ক আলোচনার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলেন।