কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক ফেরদৌসসহ ২ ব্যাংক কর্মকর্তাকে আটক

7

যুগবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের মামলায় কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসসহ ২ ব্যাংক কর্মকর্তাকে আটক করেছে দুদক।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসকে বরিশাল নগরীর মুসলিমপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে আটক করে দুদক কর্মকর্তারা। ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭ শত ৮০ টাকা ঢাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাত করার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌস এর বিরুদ্ধে।

দুদক সূত্রে জানাগেছে, ২০১৩ সালে ঢাকা ব্যাংক কতৃপক্ষ দুই জনকে আসামি করে একটি মামল দায়ের করেন। মামলায় টাকা আত্মসাত ও তথ্য গোপন করার কথা উল্লেখ করা হয়। মামলায় আসামি করা হয়, ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার এসএভিপি পিরোজপুর নেছারাবাদের মৃতঃ আঃ ছাত্তারের পুত্র কে এইচ এম আসাদুজ্জামান ও ঢাকা ব্যাং বরিশাল শাখার এভিপি ভোলা চরফ্যাসনের আঃ ছালাম এর পুত্র মোঃ হুমাউন কবিরকে। মামলা দায়ের এর পর থেকেই তারা দুজন আত্মগোপনে রয়েছে। পরে মামলাটি দুদক তদন্ত করে আরও ১২ জনকে অভিযুক্ত করে। দুদকের তদন্তে অভিযুক্তদের মধ্যে গতকাল ৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হল, কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌস, ঢাকা ব্যংক বরিশাল শাখার এফভিপি ও ম্যানেজার ইনচার্জ কাজী জাফর হাসান ও ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার এফভিপিও ক্রেডিট ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী।

বরিশাল দুদক এর উপ-পরিচালক এবিএম আঃ ছবুর জানান, ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭ শত ৮০ টাকা, ঢাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাতের মামলায় কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার দুই কর্মকর্তাকেও আটক করা হয়েছে। আটকের পর তাদেরকে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়।

কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসকে আটকের ছবি তুলতে গেলে তার ভাই খাইরুল হাসান সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা প্রদান করে। পরে স্বজনরা তাকে সরিয়ে নিয়ে যায়নিউজ ডেস্ক ॥ ঢাকা ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের মামলায় কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসসহ ২ ব্যাংক কর্মকর্তাকে আটক করেছে দুদক। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসকে বরিশাল নগরীর মুসলিমপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে আটক করে দুদক কর্মকর্তারা। ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭ শত ৮০ টাকা ঢাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাত করার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌস এর বিরুদ্ধে।

দুদক সূত্রে জানাগেছে, ২০১৩ সালে ঢাকা ব্যাংক কতৃপক্ষ দুই জনকে আসামি করে একটি মামল দায়ের করেন। মামলায় টাকা আত্মসাত ও তথ্য গোপন করার কথা উল্লেখ করা হয়। মামলায় আসামি করা হয়, ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার এসএভিপি পিরোজপুর নেছারাবাদের মৃতঃ আঃ ছাত্তারের পুত্র কে এইচ এম আসাদুজ্জামান ও ঢাকা ব্যাং বরিশাল শাখার এভিপি ভোলা চরফ্যাসনের আঃ ছালাম এর পুত্র মোঃ হুমাউন কবিরকে। মামলা দায়ের এর পর থেকেই তারা দুজন আত্মগোপনে রয়েছে। পরে মামলাটি দুদক তদন্ত করে আরও ১২ জনকে অভিযুক্ত করে। দুদকের তদন্তে অভিযুক্তদের মধ্যে গতকাল ৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হল, কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌস, ঢাকা ব্যংক বরিশাল শাখার এফভিপি ও ম্যানেজার ইনচার্জ কাজী জাফর হাসান ও ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার এফভিপিও ক্রেডিট ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী।

বরিশাল দুদক এর উপ-পরিচালক এবিএম আঃ ছবুর জানান, ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭ শত ৮০ টাকা, ঢাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাতের মামলায় কীর্তণখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল হাসান ফেরদৌসকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখার দুই কর্মকর্তাকেও আটক করা হয়েছে। আটকের পর তাদেরকে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়।