সিপিবি-বাসদ-এর বিক্ষোভ সমাবেশ

11

যুগবার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ-এর উদ্যোগে সিরিয়ায় সাম্রাজ্যবাদী হামলার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ-এর সাধারন সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা তমরেড বজলুর রশিদ ফিরোজ এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড মো. কিবরিয়া। সমাবেশ পরিচালনা করেন সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড হাসান তারিক চৌধুরী।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বানোয়াট এবং মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সিরিয়ার নিরীহ জনগণের উপর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের এই নগ্ন মিসাইল হামলা বিশ্ববাসীকে স্তম্ভিত করেছে। জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়াই এই হামলা আন্তর্জাতিক সমস্ত আইনকে লঙ্ঘন করেছে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে যে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে তা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা প্রমাণিত হয় নি। এর পূর্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যা অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। মার্কিন এই হামলার উদ্দেশ্য হলো তাদের অস্ত্রব্যবসা টিকিয়ে রেখে যুদ্ধ অর্থনীতিকে চাঙা রাখা এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা।

কমরেড সেলিম আরো বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিরোধিতা করেছিলো, অন্যদিকে সিরিয়ার প্রগতিশীল সরকার মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানিয়েছিলো। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে হয়ে থাকেন তবে তাদের সিরিয়ার উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ জানাতে হবে। তিনি অবিলম্বে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে সিরিয়ায় হামলার প্রতিবাদ বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, সাম্রাজ্যবাদ যুদ্ধ ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। তাই অজুহাত সৃষ্টি করে তারা বিভিন্ন দেশের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃত্ব বজায় রাখতেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এই হামলা চালিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে অস্ত্র সরবরাহ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ˆতরি করে রেখেছে। সৌদি আরব, ইজরাইল মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটালেও সেখানে তারা অব্যাহতভাবে মদদ দিয়ে যাচ্ছে।