শিক্ষায় রূপান্তর ঘটাতে না পারলে প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা দুরূহ হবে—-মোস্তাফা জব্বার

12

যুগবার্তা ডেস্কঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তর অপরিহার্য। প্রথম শিল্প বিপ্লব যুগের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেড়িয়ে এসে ডিজিটাল বিপ্লব বা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যু‌গের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটাতে না পারলে সভ্যতার বিবর্ত‌ণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা খুবই দুরূহ হয়ে পড়বে। তিনি বলেন তিনটি শিল্প বিপ্লবের অংশিদার হতে না পারায় উন্নত দেশ থেকে ৩২৪ বছরের পিছিযে পড়া এদেশটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে গত ৯বছরে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর এমসিসিআই মিলনায়তনে এমসিসিআই আয়োজিত ‘টেকনোলজি, ইনোভেশন এন্ড পলিসি : হাউ টু প্রসিড’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তির চতুর্থ স্তরের শিক্ষার রূপান্তর ঘটাতে বিদ্যমানপাঠক্রমের কতটুকু গ্রহণ ও কতটুক বিয়োজন করা যায় তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।বিদ্যমান পাঠদান পদ্ধতি পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও রপ্তানি যুগে প্রবেশ করেছে। পৃথিবীর ৮০টিরও বেশী দেশে তথ্যপ্রযুক্তিপণ্য বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিন হচ্ছে। তিনি বলেন, ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে প্রযুক্তিপণ্য ক্রয়ে বিদেশ নির্ভরতা হ্রাস করা অপরিহার্য। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশী সফটওয়্যার আমাদের দেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না । তিনি বলেন , উন্নতবিশ্বের দেশসমূহ নিজেরাই তাদের নিজেদের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে।
উদ্ভাবিত তথ্য প্রযুক্তি পণ্যে কিংবা বুদ্ধিভিত্তিক পণ্যের আর্থিক মূল্যা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের জায়গাটিতে নতুন প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা করার মাধ্যমে ডিজিটাল বিপ্লবকে এগিয়ে নিতে হবে। বর্তমান সরকার এ অবস্থার উত্তরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, গত ৯ বছরে তথ্য যোগাযোচগ প্রযুক্তির মহাসড়ক তৈরির যাত্রায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে। দেশের ৭৭২ টি ইউনিয়ন ও১১১টি সিটমহল বাদে সারাদেশে কানেকটিভিটি কার্যক্রম চলছে। বাদপড়া এলাকাসমূহ ২০১৮ সালের মধ্যে কানেকটিভিটির আওতায় আনা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।