ধর্ষক বাবুল গ্রেফতার। মন্দের স্বস্তি।

11

নাদিরা কিরণঃ বিউটির ধর্ষক বাবুল গ্রেফতার। মন্দের স্বস্তি। বিউটিতো জানবেনা যে নির্মম, বিভীষিকার যন্ত্রণা সয়ে এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়েছে যে নরপশুর জন্য, সে গ্রেফতার হয়েছে। মা- বাবার তীব্র কষ্ট লাঘব করে বিউটি আসবে না তাদের বুকে।
২১ জানুয়ারি অপহরণ করে বিউটিকে ১ মাস আটকে ধর্ষণ করে ফেরত দেয় বাবুল। ১মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ অালী ধর্ষক বাবুল ও তার ইউপি মেম্বর মা কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তখনই এই দুজনকে গ্রেফতার করলে ১৬ই মার্চ বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে বিউটিকে আবার জোর করে তুলে নিতে পারতোনা। আবারও ধর্ষণ এবং হত্যার মুখোমুখি হতোনা মাত্র ১৪ বছরের নিঃষ্পাপ মেয়েটি। এই অল্প বয়সে কি বিভীষিকা ময় যন্ত্রণা, কি নির্মম মৃত্যুকে বরণ করতে হলো বিউটিকে। পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়নি তারা অসহায় বলে? এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রাজধানীর বাঘা গনমাধ্যম এটাকে গুরুত্ব দেয়ায় তারা নড়লেন। স্থানীয় সাংবাদিকরা দায় এড়াতে পারেনা কিছুতেই। মাস খানেক ধরে নিখোঁজ মেয়েটির খবর জানলেন না তারা বুঝলাম। ট্রাইবুনালে মামলা করার পর তারা জানলেন না খবরটি, সোর্স নেই তাদের? নাকি গুরুত্ব দিলেন না অসহায় দরিদ্র পরিবার বলে? পড়ে পড়ে মার খাওয়া, নির্যাতিত হওয়া এবং নির্মমভাবে মরে যাওয়াই এদের প্রাপ্য? আমাদের হবিগঞ্জ প্রতিনিধিও জানিয়েছেন আরো অনেকের মতো অনেক পরে। গনমাধ্যমকর্মী হিসেবে আমি লজ্জিত।

প্রত্যাশা, ধর্ষক,নরপশু বাবুলের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি বিধান।
একটি কঠোর দৃষ্টান্ত যেন স্থাপন করে রাষ্ট্র। সাম্প্রতিক ধর্ষণের প্রবণতা রোধে বিচারকের দৃঢ়, কঠোর ও সঠিক বিবেচনা কাম্য। বাবুলের মায়ের ইন্ধন থাকলে সেও যেন ছাড় না পায় একফোঁটা।-লেখক: একজন সাংবাদিক ও মুক্ত মনের মানুষ।