১২ বছর পর কেমিকেল ব্যবসায়ীদের নির্বাচন মঙ্গলবার

23

যুগবার্তা প্রতিবেদক: দীর্ঘ একযুগ পর আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল এবং পারফিউমারী মার্কেট এসোসিয়েশনের ২০১৮-১৯ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে পুরান ঢাকার কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
নির্বাচনে দুটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নেবেনে। রবিবার দুই প্যানেলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

সংগঠনসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কেমিক্যাল এবং পারফিউমারী মার্কেট এসোসিয়েশনের প্রত্যেক নির্বাচনের দু বছর পর নতুন নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতা ও পক্ষ-বিপক্ষের কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০০৫ সালের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছিলেন, তারাই দীর্ঘ বার বছর ধরে পরিচালনা করেছেন সংগঠনটি। ফলে বাংলাদেশ কেমিক্যাল এবং পারফিউমারী মার্কেট এসোসিয়েশনে স্থবির হয়ে পড়ছে। সংগঠনটির স্থবিরতা দূর করতে ছয় মাস পূর্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তক প্রশাসক হিসেবে উপ-সচিব ড. আতিকুর রহমানকে নিয়োগের মাধ্যমে আসন্ন ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়।

এ দিকে নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীগণ দু দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। একটি হলো সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরাম ও অন্যটি সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদের প্যানেল থেকে সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরাম অনেকটাই এগিয়ে। গড়ে প্রতি ১০ জন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরাম মোট ভোটের ৬৪ শতাংশ ভোট পেয়ে পূর্ণ প্যানেল গঠন করবেন।
নির্বাচনে সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরামের স্লোগান হচ্ছে “ভোট দিব ফোরামে, ব্যবসা করবো আরামে।’’

সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরামের প্যানেল প্রধান নূরুল আকবর ও ইমতিয়াজ আহমেদ খান গুড্ডু জানান, চাদাবাজী দুরীকরণ, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে এসোসিয়েশনকে শক্তিশালী করতে তারা বদ্ধ পরিকর। সাধারণ ব্যবসায়ী ফোরামে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে প্রত্যেক ব্যবসায়ী নির্বিঘ্নে নিরাপদে ও সাচ্ছন্দে তাদের নিজ নিজ ব্যবসা পরিচালনা করতে তারা সবাইকে নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, প্রত্যেক বিভাগে কমিটি গঠনের মাধ্যমে এসোসিয়েশনের পরিসর বৃদ্ধি করা হবে। প্রত্যেক ব্যবসায়ী যে কোন সমস্যায় তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান পাবেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে বর্তমানে মোট ভোটার রয়েছে ৭৭৯ জন। এর মধ্যে ৪৩ জন নির্বাচনে প্রতিদ্ধন্দিতা করছেন। এই ৪৩ জনের মধ্য থেকে ২১ জন সর্বোচ্চ ভোটের মাধ্যমে মনোনিত করা হবে। তবে কিছু কিছু প্রার্থীদের নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।