জবি উপাচার্যকে ক্যান্টিনের খাবার খেতে শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ

559

পরিতোষ আচার্য, যুগবার্তা সংবাদদাতা : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যান্টিনের খাবারের মান বাড়াতে ও দাম কমাতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে এবার উপাচার্যসহ প্রশাসনের সকলকে ক্যান্টিনে এক বেলা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।

রবিবার ক্যান্টিনে এক ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ নিমন্ত্রণ জানান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সদরদার আল আমিন।

অবস্থান কর্মসূচিতে আমিন বলেন, আমরা বিগত ১৫দিন যাবৎ ক্যান্টিনের খাবারের দাম কমাতে ও মান বাড়তে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমরা খাবারে দাম কমাতে একটি মূল্য তালিকা ক্যান্টিনে ঝুলিয়ে দিয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব দিকে কোন দৃষ্টি রাখেন নি। তারা বিশ্বাস করতে পারেন না আমরা কতটা নিম্নমানের খাবার খেয়ে ক্যাম্পাস জীবন অতিবাহিত করি। তাই এবার আমরা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানসহ প্রশাসনের পদস্থ আগামী রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ক্যান্টিনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে এক বেলা খাবারের নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি। উপাচার্যের খাবার প্রতিদিন আসে কেএফসি থেকে অথবা কোন ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট থেকে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন , তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো সেদিন কোন ভিন্ন প্রকারের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারবে না ক্যান্টিনের পরিচালক। আমরা প্রতিদিন ক্যান্টিনে যা খাই তাই খেতে হবে। খাওয়া শেষে সাংবাদিকসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে বলে যেতে হবে এ খাবার শিক্ষার্থীদের জন্য কতটুকু মান সম্মত।তবে আপনাদের এ খাবারের বিল ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।

ক্যান্টিনে পুরোটা জুরে কোকাকোলার বিজ্ঞাপনের সমালোচনা করে সরদার আল আমিন আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যান্টিন কোন বাণিজ্যিক জায়গা না। এখানে কোকাকোলার বিজ্ঞাপন বারবার প্রমান করে ক্যান্টিনকে বানিজ্যকরন করা হয়েছে। আমাদের ক্যান্টিনে কোন কোকাকোলার বিজ্ঞাপন চলবে না। এখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব লোগো লাগাতে হবে।

এসময় ক্যান্টিনে এক ঘণ্টা অবস্থান ধর্মঘট শেষে সভাপতি আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক এসকে শুভ ও দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিনরে নেতৃত্বে ক্যান্টিনে কয়েকটি দরজায় প্রতিকী তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।