আহমেদ জালাল : স্মৃতির পাতায় স্বনামধন্য আইনজীবী সাংবাদিক আব্দুল কাইয়ুম এর মেয়ের জন্মদিনের স্মৃতিচারণের দৃশ্য। ঘনিষ্ঠজন,সহকর্মী,স্বজন,শুভাকাঙ্খিদের মাঝে যেন চোখের জলে স্মৃতিচারণে কত যে স্মৃতি! অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বনামধন্য আইনজীবী সাংবাদিক আব্দুল কাইয়ুম’র পাশে ৭১’র মুখপত্র ‘দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক,খ্যাতনামা সাংবাদিক,বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক নজরুল ইসলাম চুন্নু। আরেক ছবিতে দেখা যাচ্ছে অপর এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এডভোকেট আবদুল কাইয়ুম। তাঁর পাশে খ্যাতনামা সাংবাদিক,বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক নজরুল ইসলাম চুন্নু। এরকম অনেক স্মৃতিই ঘনিষ্ঠজনদের অশ্রুসিক্ত করে তোলে। যা খুবই বেদনার। মর্মাহত।
প্রসঙ্গত : বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী বাংলাদেশ সুর্প্রীম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ২২ নভেম্বর (০৭ অগ্রহায়ন, ১৪২৭) রোববার দুপুর ১টায় মিনিটে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ‘আব্দুল কাইউম ১৯৭৬ থেকে ১৯৯০ সন পর্যন্ত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তৎকালীন সময় তিনি ডেইলী অবজার্ভার পত্রিকায় সাংবাদিকতা করতেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। ২২ নভেম্বর রোববার বাদ আছর সুপ্রিম কোর্ট মাজার মসজিদে প্রথম ও মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে সেখানেই তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। ৭১ এর মুখপত্র ‘দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ’ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক বিশিষ্ঠ সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদ বলেন, এ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম যেমন স্বনামধন্য আইনজীবী তমনি প্রথিতযশা সাংবাদিক ছিলেন।-লেখক : নির্বাহী সম্পাদক ও বার্তা প্রধান, ৭১’র মুখপত্র ’ দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ’।
Mail : ahmedjalalbsl@gmail.com

*মতামত বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখাই লেখকের নিজস্ব ব্যক্তিগত বক্তব্য বা মতামত।