স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কারণেই করোনা নিয়ে জনগণের মধ্যে শৈথিল্য সৃষ্টি হয়েছে–ওয়ার্কার্স পার্টি

6

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির বর্তমান অবস্থায় সারাদেশে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী কঠোরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টি ইতিমধ্যে সেই লক্ষ্যে জনগণকে মাস্ক পরিধান, করোনা পরীক্ষা ও সঙ্গনিরোধ সম্পর্কে সচেতন করতে পার্টির প্রতিটি ইউনিটকে করোনা সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ের মত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করে এতদ্বসংক্রান্ত প্রচারাভিযান ও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজ চালাতে নির্দেশ প্রদান করেছে। পার্টি ইতিমধ্যেই জনগণের মধ্যে মাস্ক বিতরণের কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর দু’দিনের ভার্চুয়াল বৈঠকের পর আজ (২২ সেপ্টেম্বর) সভার প্রস্তাবাবলী ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়।

পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিটব্যুরোর সভায় করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কিত প্রস্তাবে বলা হয়, এ ব্যাপরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গা ছাড়াভাব, উদ্যোগহীনতা, পরামর্শক কমিটির পরামর্শ উপেক্ষা জনগণের মধ্যে অনীহাভাবের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের করোনা শনাক্তকরণে টেষ্ট কার্যক্রম কমিয়ে দেয়া, করোনা রোধে যে চিকিৎসকরা কাজ করছেন তাদের কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থা তুলে দেয়া ও সর্বোপরি করোনার প্রকৃত চিত্র আড়াল করার কারণে জনগণকে এ ব্যাপারে অনুৎসাহিত করে তুলেছে। দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখন নিজেদের বাঁচাতে ব্যস্ত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও প্রথম থেকেই এ ব্যপারে চরম অসংবেদনশীলতা, উদাসীনতা ও অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। এর ফলে সমস্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কেই জনমনে অনাস্থা সৃস্টি হয়েছে।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধ করতে কান না টেনে মাথা টানার কথা বলা হয়। প্রস্তাবে বলা হয় করোনা সংক্রমণ রোধের ব্যবস্থাকে ধরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক পুনর্গঠন করতে হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে বলা হয় এই অবস্থায় যখন জনগণের ক্রয়ক্ষমতা একেবারেই নিন্মমুখী, প্রতিটি স্তরের মানুষের আয় কমে গেছে সেখানে চাল, পেয়াজ, রসুন, সব্জিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিষের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট এর জন্য দায়ী।