স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির হাত ধরে সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মের রাজনীতির পুনরুত্থান ঘটেছে–মেনন

বরিশাল অফিস: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্ম নিয়ে রাজনীতির পরাজয় ঘটিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির হাত ধরে সেই সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী শক্তির রাজনীতির পুনরুত্থান ঘটেছে। জিয়া-এরশাদ-খালেদা-নিজামীর সময় পেরিয়ে বর্তমান সময়ে তার ক্রমবিস্তৃতি ঘটেছে রাষ্ট্র ও সমাজে। এ কারণেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার হোতারা রেহাই পেয়ে যায়। খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সামনেই ‘ব্লাসফেমী আইন’ প্রণয়নের জামাতের দাবি উচ্চারিত হতে পারে ‘আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা দেয়ার দাবি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে সরকারি কর্তাব্যক্তিদের সামনে প্রকাশ্যেই বাংলাদেশকে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র’ ঘোষণার দাবি উচ্চরণ করা যাবে। অথচ বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে তার প্রথম বক্তৃতাতেই বলেছিলেন বাংলাদেশে আর ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা যাবে না। ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি করেছিলেন। আজ ধর্মনিরপেক্ষতা কাগজে-কলমে ফিরে এসেছে কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চলছে জোরেসোরেই। সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটেছে রাষ্ট্র ও সমাজে। বিস্তার ঘটেছে সাম্প্রদায়িকতাই দুর্নীতি, বৈষম্য আর শোষণমুক্তির লড়াইকে অতীতের মতই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে।
আজ ৪ঠা ডিসেম্বর সকাল ১১টায় বরিশাল আইনজীবি হলে সাম্প্রদায়িকতা ও তার পরিণাম সম্পর্কে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির বরিশাল জেলার সাধারণ সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির ভাষণে পার্টির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি একথা বলেন।