সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে বনের উপর অত্যাচার রুখতে হবে–মেয়র খালেক

94

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের অনেক ক্ষতি করছে। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে। তাই বনের উপর মানুষের অত্যাচার রুখতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের অসচেতনতার কারনে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বেসরকারি উনśয়ন সংস্থা রƒপান্তরের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ ৬শো পরিবারকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক একথা বলেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, মোংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ গোলাম সরোয়ার, রƒপান্তরের নির্বাহি পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ্ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শেখ কবির হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইস্রাফিল হোসেন হাওলাদার প্রমূখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক আরো বলেন নিজে নিরাপদে থেকে পরিবারকে রক্ষা করতে হবে। তিনি সরকারি নির্দেশনা মেনে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। উল্ল্রেখ্য ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ ৬শো পরিবারের জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা হিসেবে রƒপান্তরের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে তিন হাজার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য চার হাজার টাকা নগদ অর্থ, পিট ল্যাট্টিন, তাবু এবং হাইজিন কীট্স পাকেজ প্রদান করা হয়। এছাড়া পুকুর জীবানুমুক্তকরণ এবং মার্কেটে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মোংলার দিগন্ত প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শ্রমিক সংঘ চত্বরে ২৫০ মসজিদের ইমাম-মুয়াযিন ও খাদেম’র জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে প্রতি মসজিদের জন্য পাঁচ হাজার নগন অর্থ প্রদান করেন।