সাংবাদিক আলতাফ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

যুগবার্তা ডেস্কঃ সাংবাদিক আলতাফ হোসেন হত্যার বিচারেরর দাবিতে রোববার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আলতাফ হোসেন হত্যা ন্যায় বিচার পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সেক্রেটারী বাবুল বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ নেতা জনাব নূরে আলম সিদ্দিকী, জাসদ নেতা সরদার খোরশে বিশিষ্ট সাংবাদিক কায়কোবাদ মিলন, সাবেক ছাত্রনেতা ও যুগবার্তা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুজন, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ সোহেল মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম বাদশা, শ্রমিক নেতা আলমগীর রনি প্রমুখ । সভাপতিত্ব করেন আলতাফ হোসেন হত্যা ন্যায় বিচার পরিষদের আহ্বায়ক খান মোহাম্মদ নূরে আলম। নেতৃবৃন্দ আলতাফ হোসেন হত্যার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান।

বিটিভির স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ক্যামেরাম্যান সাংবাদিক আলতাফ হোসেন হত্যা মামলা দায়েরের প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি । গত ১৬ অক্টোবর ২০১৭ ঝালুকাঠি জেলার রাজাপুর থানায় আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ ছবি আক্তার সাবিনা সাংবাদিক আলতাফ হোসেনের হত্যার মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর উল্টো আসামিদের হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদীর পরিবার। মামলার বিবরণে জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলার কানুদাসকাঠি এলাকার জাহিদুল ইসলাম লিটন, রেজোয়ান হাওলাদার, মুজাম্মেল হাওলাদার, ছিদ্দিকুর রহমানসহ আরো অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনে মিলে বিটিভির স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ক্যামেরাম্যান আলতাফ হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এরপূর্বে আলতাফ হোসেন’র সাথে আসামিদের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ ছিলো।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টার দিকে আসামিরা কানুদাসকাঠি বাজার নিয়ে যায়। ৭ মার্চ তাকে মৃতাবস্থায় বাড়িতে নিয়ে আসে। বাদী গর্ভাবস্থায় থাকায় তাকে কোন খবর না দিয়ে প্রভাবশালী আসামিদের ইচ্ছেমতো মৃতদেহ দাফন করা হয়। পরবর্তিতে বাদি, তার পিতা বেলায়েত হোসেন, নবজাতক পুত্র সন্তানকে হত্যার পরিকল্পনা করলে জীবন রক্ষার্থে আত্মগোপনে থাকে বাদী পরিবার। গত ১২ অক্টোবর ২০১৭ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নালিশী অভিযোগ দায়ের করলে রাজাপুর থানার ওসিকে এজাহার রেকর্ডের নির্দেশ দেন। ১৬ অক্টোবর ২০১৭ এজাহারটি রাজাপুর থানা রেকর্ড (মামলা নং-৭) করা হয়।

৪ মাস অতিবাহিত হলেও দায়ের করা হত্যা মামলার আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। উল্টো বাদীকে হুমকি দিচ্ছে আসছে।