শিক্ষার বানিজ্যীকীকরণ কোনভাবেই কাম্য নয়–শিক্ষামন্ত্রী

যুগবার্তা ডেস্কঃ শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন, আমাদের ঐতিহ্যে জ্ঞান বিতরণ একটি মহৎ কাজ হিসাবে পরিচিত । তাই আমাদের সমাজে শিক্ষকরা পরম শ্রদ্ধার, পূজনীয় ও অনুকরণীয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের কিছু কর্ম এবং অতিরিক্ত অর্থলোভ ঐ ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। যা আমাদেরকে হতাশ করছে। আমাদের মনে রাখতে হবে অর্থের চেয়ে সম্মান বড়। শিক্ষার বানিজ্যীকীকরণ কোনভাবেই কাম্য নয় । তিনি আরও বলেন বানিজ্য বিষয়টা খারাপ নয় কিন্তু এটা শিক্ষার সাথে যায় না। আমরা শিক্ষাকে বানিজ্যের উর্ধে রাখতে চাই ।

তিনি আজ সকালে রাজধানীর উত্তরার ১৪ সেক্টরের খেলার মাঠে ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচাল এন্ড টেকনোলজি (আই ইউ বিএটি) এর ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

আই ইউ বিএটি এর উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রব এর সভাপতিত্বে সমাবর্তন এ সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক জনাব ইমদাদুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত দশ বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এখন সময় এসেছে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করার। আমরা চাই আমাদের শিক্ষাকে ব্র্যান্ডিং করতে। আমরা মেইড ইন জার্মানি দেখলে নির্দ্বিধায় কোন জিনিস কিনি অথবা কোন একজন ননটেকনিক্যাল মানুষ ও আই ফোন বা স্যামসাং প্রায় এক লক্ষ টাকা দিয়ে বিনা সংকোচে কিনে, কারন তারা ঐ পণ্যের কোয়ালিটি সম্পর্কে নিশ্চিত। সেই ক্ষেত্রে পণ্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টেইক মেইন রেসপন্সিবিলিটি টু এনসিউর কোয়ালিটি অফ প্রোডাক্টস। আমাদের গার্মেন্টস যেমন সারা বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে। সবাই জানে বাংলাদেশের গার্মেন্টস ভাল। এটাই হচ্ছে ব্র্যান্ডিং। ঠিক তেমনি আমরা আমাদের শিক্ষাকে ব্র্যান্ডিং করতে চাই। বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মানুষ জানবে বাংলাদেশের শিক্ষার মান ভাল। বিদেশ থেকে ছেলে মেয়েরা বাংলাদেশে পড়তে আসবে। তাই আগামী দিনে কোয়ালিটি এডুকেশন এবং কারিগরি শিক্ষা হবে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষসহ আমাদের সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে।