রাষ্ট্র যদি খেলাপি নীতি অনুসরণ করে তাহলে ঋণখেলাপিরা পার পেয়ে যাবে—–মেনন

যুগবার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্র যদি খেলাপি নীতি অনুসরণ করে তাহলে ঋণ খেলাপিরা সুবিধা নিবেই। বড় বড় ঋণ খেলাপিরা রাষ্ট্রীয় আনুগত্য পেয়ে অর্থনীতির ক্ষতি করছে। রাষ্ট্রকে খেলাপি সংস্কৃতি থেকে মুক্ত হতে হবে। তাহলে ঋণ খেলাপিরা ঋণ নিয়ে পার পেতে পারবে না। ঋণ খেলাপি সংস্কৃতির কারণে প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কৃষি উৎপাদনের জন্য কৃষকরা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে বিপাকে পড়েন। কৃষকদের খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কঠোরতম অবস্থান গ্রহণ করে থাকে এবং কৃষকদের নামে সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে, এতে করে অনেক কৃষক সর্বশান্ত হয়ে পড়ে। খেলাপি ঋণের ব্যাপারে সরকারকে সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

আজ মহামতি লেনিন এর ১৪৯ তম জন্ম বাষির্কীর এক আলোচনা সভায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর কমিটির সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সুশান্ত দাস, অধ্যাপক ড. শফিকুজ্জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কমরেড লেনিন এর উপর রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়।

জননেতা রাশেদ খান মেনন বলেন, কমরেড লেনিন এর অনুসৃত পথ ধরে ইউরোপের দূর্বলতম পুঁজিবাদী দেশ রাশিয়া রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে যে নজির স্থাপন করেছিলেন তা আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। লেনিন আজও বিশ্ববাসীর কাছে প্রাসঙ্গিক, কারণ লেনিন রাজনীতি ও অর্থনীতির যে পথ অনুসরন করেছিল সেই পথেই মানুষের উপর মানুষের শোষণ, নিপীড়ন ও ˆবষম্য দূর করা সম্ভব। বর্তমান উদারনৈতিক পুঁজিবাদী বিশ্ব ব্যবস্থায় মানুষকে শোষণের দাসত্বের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এখান থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হলে লেনিন এর কাছ থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। লেনিন কোন গোড়ামিবাদে বিশ্বাসি ছিলেন না, তিনি ছিলেন সৃজনশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। লেনিন বিশ্বের শোষিত, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের নেতা। তিনি পুঁজিবাদী শোষণ ও ˆবষ্যমের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশশ্ব প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত করেন। যা আজও বিশ্বের দেশে দেশে অনুসরণ করে চলেছে। কমরেড লেনিন যুগ যুগ জিও।