রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা প্রভাব খাটিয়ে নদী দখল করা যাবেনা–নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

2

যুগবার্তা ডেস্কঃ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা প্রভাব খাটিয়ে নদী দখল করা যাবেনা। নদী দখলকারিদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স দেখিয়েছেন। শুধু নদী দখল নয়, যেকোন ধরণের দখল ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স দেখিয়ে যাব। অবৈধ দখল উচ্ছেদে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি আজ বসিলায় পুনরুদ্ধারকৃত তুরাগ নদীর চ্যানেল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে গাবতলী ল্যান্ডিং স্টেশনে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আবদুস সামাদ এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীর নাব্যতা এবং স্বাভাবিক গতি প্রবাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সরকার টাস্কফোর্স গঠন করেছে। ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু করেছিল। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এলে সে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে নদী রক্ষায় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। টাস্কফোর্স ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ অনেক কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী রক্ষায় বদ্বীপ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী রক্ষা ও দূষণরোধে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়, নৌপািরবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কাজ করছে। বিআইডব্লিউটিএ অপারেশনাল কাজে যুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা, নদীর দখলরোধ ও দূষণের হাত থেকে রক্ষায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হাঁটছি। একটা দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, আশা করছি লক্ষ্যে পৌঁছব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী দখল, দূষণরোধ ও নৌপথ খননের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় তৈরি হয়েছে। সামনের দিকে কাজে আরো গতিশীলতা আসবে। নদী তীর দখল ও দূষণরোধে উচ্ছেদ কার্যক্রমে জনমত সৃষ্টিতে গণমাধ্যমকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন,৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রাষ্ট্রের অবহেলায় দুর্বৃত্তায়ন হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে কোন গুরুত্ব দেয়া হয়নি।