যানবাহন ও মানুষের চলাচল প্রায় স্বাভাবিক

5

ডেস্ক রিপোর্ট: সব গাড়ি তল্লাশি না করলেও পুলিশ যেসব যানবাহন থামাচ্ছে তার যাত্রীর পরিচয় ও গন্তব্য যাচাইয়ের পাশাপাশি কাগজপত্র পরীক্ষায় সময় নিচ্ছে অনেক। চেকপোস্টে এক সঙ্গে কয়েকটি গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করতে গেলে লেগে যাচ্ছে যানজট।

সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের গতকাল ছিল সপ্তম দিন। এ দিন রাজধানীর রাস্তায় বেড়েছে মানুষ ও যান। সকাল থেকেই রাজধানীর বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, বাংলামোটর এলাকায় ছিল যানবাহনের চাপ। বিশেষ করে পুলিশের চেকপোস্টগুলোতে রীতিমতো যানজট তৈরি হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতেই দেখা গেছে যানবাহনের প্রায় স্বাভাবিক চলাচল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যালে দেখা গেছে গাড়ির লম্বা লাইন। সেখানে রিকশা ও মোটরবাইকের উপস্থিতি ছিল বেশি। রাজধানীর পান্থপথ, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে যারা যাতায়াত করেছেন তাদের প্রত্যেকেরই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে ।

গাড়ির চালকরা জানান, যেসব জায়গায় দুই বা ততোধিক সড়ক সংযোগ আছে সেখানকার সিগন্যালে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সব গাড়ি চেক না করলেও পুলিশ যেসব যানবাহন থামাচ্ছে তার যাত্রীর পরিচয় ও গন্তব্য যাচাইয়ের পাশাপাশি কাগজপত্র পরীক্ষায় সময় নিচ্ছে অনেক। চেকপোস্টে এক সঙ্গে কয়েকটি গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করতে গেলে লেগে যাচ্ছে যানজট।

লকডাউন কার্যকরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে। সেসব স্থানে যানবাহন ও যাত্রীর গন্তব্য যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে কিছুটা শিথিল হলেও চেকপোস্টের তত্পরতায় কিছু এলাকায় যানজট লেগে যাচ্ছে। নগরীতে চলাচল করা যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ব্যক্তিগত গাড়ি। এরপর মাইক্রোবাস। ব্যাংকসহ জরুরি প্রয়োজনে খোলা থাকা অফিসে কাজের কথা বলে চলছে এসব যানবাহন। লকডাউনে অনুমোদন থাকায় রাজধানীতে রিকশা চলাচল বেড়েছে অনেক। পণ্যবাহী যানের মধ্যে ট্রাক দেখা গেছে খুবই কম।-ইত্তেফাক