মো. নজরুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিলে হাইকোর্টে রুল

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ঋণ খেলাপির অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের প্রার্থিতা কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়– গতকাল মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টম্বর) এ রিট আবেদন করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির। ইসির পক্ষে ছিলেন এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারজানা শম্পা ও তামান্না ফেরদৌস।

প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, রিটকারীর আইনজীবী শুনানীতে মো. নজরুল ইসলামের প্রার্থীপদ বাতিলের আবেদন করেন কিন্তু সেটি মঞ্জুর না হলে নির্বাচন স্থগীত করার আবেদন জানান। কিন্তু মহামান্য আদালত নির্বাচনের উপর স্থগীতাদেশ না দিয়ে রুল জারি করেছেন। রুটে কোন সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে কি না তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

এর আগে খলিলুল্লাহ ঝড়– জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের প্রার্থীপদ বাতিলের জন্য মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং অফিসার ও সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেন। কিন্তু রিটার্নিং অফিসার আবেদন নামঞ্জুর করেন। রিটার্নিং অফিসারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খলিলুল্লাহ ঝড়– বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করেন। কিন্তু সেখানেও শুনানীর পর আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। এব্যাপারে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদনও করেন। সর্বশেষ প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়– হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেন।

উল্লেখ্য, খলিলুল্লাহ ঝড়– সাতক্ষীরার দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী।

আগামী ১৭ অক্টোবর সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ইভিএমের মাধ্যমে ১ হাজার ৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।