মোংলায় ঘূর্ণিঝড় ”ফণি”র প্রভাবে জোয়ারের পানিতে দশ গ্রাম প্লাবিত

5

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ ঘূর্ণিঝড় ”ফণি”র প্রভাবে মোংলায় শনিবার সকালে পশুর নদীর জোয়ারের পানি ৪/৫ ফুট বৃদ্ধিতে বাঁধ উপচে কানাইনগর, দক্ষিণ কাইনমারিসহ দশ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

মোংলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান জানান ঘূর্ণিঝড় ”ফণি”র প্রভাবে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪/৫ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় মাটির বাঁধ উপচে পড়ে চাঁদপাই ইউনিয়নের কানাইনগর, দক্ষিণ কাইনমারি, চিলা ইউনিয়নের কলাতলা, আমতলা, সিন্দুরতলাসহ ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে গ্রাম প্লাবিত হ্ওয়ায় শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহি অফিসার খন্দকার রবিউল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের নির্বাহি প্রকৌশলী মোঃ নাহিদুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম প্রমূখ।

উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি এসময় নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উনśয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া শতাধিক চিংড়ি ঘের প্লাবিত হ্ওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান। অন্যদিকে আন্ধারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র টিন শেডের ভবনটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল বাতাসে উড়িয়ে বিলের মধ্যে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার দুরুল হুদা এবং পরিচালক ( ট্রাফিক ) মোস্তফা কামাল জানান সিগনাল তিনে নেমে যাওয়ায় বন্দরের পন্য উঠা-নামা শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান আরো জানান শনিবার দুপুরে যারা সাইক্লোন শেল্টারে ছিলো জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবার দেয়া হয়েছে। তারা যদি রাতেও শেল্টারে থাকতে চায় তা হলে তাদের খাবার দেয়া হবে। পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে।