মেট্রোরেলের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে–কাদের

5

ডেস্ক রিপোর্টঃ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে মেট্রোরেলের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। তিনি বলেন, মেট্রোরেলে কর্মরত জনবলের করোনা পরীক্ষা করে কাজে নিয়োগের পাশাপাশি আক্রান্তদের চিকিৎসার সুবিধার্থে মোট ত্রিশ শয্যার দুটি ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকাস্থ নিজ বাসভবনে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে একথা জানান।

এসময় তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মেট্রোরেলের বারো কিলোমিটার উড়ালপথ দৃশ্যমান হয়েছে। স্থাপন করা হচ্ছে রেললাইন। প্রথম সেট ট্রেন নির্মাণের কাজ জাপানের কারখানায় সম্পন্ন হয়েছে। চলমান রয়েছে আরও চার সেটের নির্মাণকাজ। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাপান থেকে জলপথে ট্রেনগুলো দেশে নিয়ে আসা হবে।

বিফ্রিং-এ মন্ত্রী জানান, শত প্রতিকূলতার মাঝেও এগিয়ে চলেছে আমাদের সক্ষমতার প্রতীক প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ। ইতোমধ্যে স্থাপিত একত্রিশটি স্টীল ট্রাসের উপর যানবাহন চলাচলে পাটাতন বা স্ল্যাব স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলেছে।

কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণকাজে করোনা প্রভাব ফেলতে পারেনি। নদীর তলদেশের খননকাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দুইটি টিউবের একটির খননকাজ শতকরা ৯২ ভাগ শেষ হয়েছে। সম্প্রতি টানেলের অন্যান্য কাজেও গতি সঞ্চার হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।

বহুল প্রত্যাশিত ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণে অর্থায়ন করতে যাচ্ছে এশিয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এডিবি। ইতোমধ্যে এডিবি’র পরবর্তী বছরের বাজেটে এ অর্থায়ন অনুমোদন পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। শীঘ্রই প্রকল্পটি একনেকে উপস্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব প্রতিপালন করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সেতু বিভাগের আওতায় বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের কাজ এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাজনিত আকস্মিক স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়নকাজে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ এখন তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। করোনার সংক্রমণ রোধ, বন্যা কবলিত জেলাসমূহে মানুষের সুরক্ষা এবং আসন্ন ঈদে মানুষের সমাগম তথা ভীড় এড়ানো। নিজেদের বেঁচে থাকার স্বার্থে আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি ভীড় এড়িয়ে চলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।