মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে মাসহ শিশু সন্তান নিহত:আহত ৮

4

বরিশাল অফিঃ চাঁদপুরে মেঘনায় ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে মা ও শিশু সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। উভয় লঞ্চের কমপক্ষে ৮ যাত্রী আহত হয়েছে।

জানাগেছে, রোববার রাত দেড়টার দিকে চাঁদপুরের মিয়ারচর নামক স্থানে ঢাকাগামী কীর্তণখোলা- ১০ ও হুলারহার ( পিরোজপুর) গামী ফারহান- ৯ লঞ্চের সংঘর্ষ হলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারকাঠী গ্রামের রুবেল খানের স্ত্রী মাহমুদা (২৪) ও তার ছেলে মুমিন (৭)। তারা কীর্তণখোলা-১০ লঞ্চের ডেকযাত্রী ছিলেন। মাহমুদা ছিলেন অন্তঃস্বত্বা।

এমভি কীর্তনখোলা-১০ এর মাস্টার নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি যাত্রী নিয়ে রোববার রাত ৯টার দিকে বরিশাল নৌবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। গভীর রাতে ঘন কুয়াশা পড়লে লঞ্চটি মিয়ারচর নামক এলাকায় নোঙ্গর করে রাখেন। এসময় ঢাকা থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটগামী ফারহান-৯ লঞ্চটি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চের নীচতলা ও দোতলার অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

চাঁদপুর নৌ পুলিশের পরিদর্শক আবু তাহের জানান, দুর্ঘটনার পর যাত্রীরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে চাঁদপুর নৌপুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। কীর্তণখোলা- ১০ লঞ্চটি যাত্রীসহ ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এমভি ফারহান-৯ এর কেরানী আল আমিন জানান, কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে তার লঞ্চের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন যাত্রী।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘনকূয়াশা বা ঝড়ের সময় লঞ্চ নোঙ্গর করে রাখার কথা। কিন্তু লঞ্চ চালানোর বিষয় খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পিরোজপুরের পুলিশকে ফারহান-৯ লঞ্চটি আটকের কথা বলা হয়েছে।