মসলিন পুনরুদ্ধার মুজিববর্ষের অন্যতম অর্জন–বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

31

রাবি প্রতিনিধি: মসলিন পুনরুদ্ধার মুজিববর্ষের অন্যতম অর্জন। বাঙালি জাতির ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যই এই মসলিন পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন ছিল। বাঙালিত্ব টিকিয়ে রাখতে মসলিন ফিরে পাওয়া বাঙালি জাতির একটি অর্জন বলে মন্তব্য করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বীর প্রতীক গোলাম দস্তগীর গাজী।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ‘মসলিন প্রযুক্তি পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ শীর্ষক গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম দস্তগীর গাজী আরও বলেন, আমার প্রথমে একটু সংশয় ছিল, এর সুতা এত সূক্ষ্ম! প্রথমে তো তুলাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে গবেষকেরা যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ঘুরে এসে আমাকে বলেছিলেন, আমরা নিশ্চয়ই করতে পারব। তারা সত্যিই সফল হয়েছেন।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, মসলিন পুনরুদ্ধারে যা যা প্রয়োজন তা আমরা দেব। এরপর আমরা চেষ্টা করব বেশি দামী হলেও যেন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে সাধারণ মানুষের জন্য বাজারে দেওয়া যায়। পরে আমরা আরও কম দামে দেওয়ার চেষ্টা করব। আশা করি, মুজিব বর্ষের উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে মসলিন তুলে দিয়ে তাঁর মসলিন পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন পূরণ করতে পারব।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, দেশকে স্বাধীন করে বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল। কিন্তু তিনি সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ২০১৪ সালে মসলিন পুনরুদ্ধারের সঠিক দিকনির্দেশনাটি দিয়েছিলেন। আজ আমাদের গবেষকরা সেই অসাধ্য সাধন করতে যাচ্ছেন।

উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা প্রকল্পের সদস্য মনজুর হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রমুখ।