মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ওপেন ইয়ার্ড হতে আমদানীকৃত রিকন্ডিশন গাড়ীর টায়ার পাচারের সময় জব্দ, বিষয়টি ধামাচাপার চেষ্টা

মংলা অফিসঃ মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১ নং ওপেন ইয়ার্ডে থাকা আমদানীকৃত রিকন্ডিশন গাড়ী থেকে টায়ার পাচারের উদ্দেশ্যে সরিয়ে নেয়ার সময়ে সেগুলো জব্দ করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। ১ নং ওপেন ইয়ার্ডের ইনচার্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ গোলাম দস্তগীর গত বৃহস্পতিবার টায়ার ৭টি সরিয়ে নেয়ার সময় বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা তা জব্দ করে জেটির সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুজিবর রহমানের কাছে জমা দেয়। ওই ট্রাফিক ইন্সপেক্টর উর্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্দরের সংরক্ষিত জেটির অভ্যন্তরের ১ নং ওপেন ইয়ার্ডের ইনচার্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ গোলাম দস্তগীর ইয়ার্ডে থাকা কয়েকটি হাইয়েক্স গাড়ী হতে ৭টি টায়ার বের করে পাচার করছিল। এ সময় জেটিতে কর্মরত শ্রমিকেরা বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের জানালে নিরাপত্তা কর্মীরা এসে টায়ারগুলো জব্দ করে। এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ গোলাম দস্তগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টায়ারগুলো পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। আপনি উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটির সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুজিবর রহমান বলেন, নিরাপত্তা কর্মীরা আমার কাছে টায়ারগুলো জমা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো: ওহিউদ্দিন বলেন, টায়ারগুলো বন্দর জেটির মুল গেইটে জব্দ করে রাখা হয়েছে। টায়ারগুলো পাচার না চুরি হচ্ছিল তা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকা হতে গাড়ীর টায়ার পাচারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গাড়ী আমদানীকারক ও ব্যবসায়ীরা। বন্দরের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন সময়ে গাড়ীর টায়ার ও যন্ত্রাংশ চুরি/পাচার করে বন্দরের সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে দাবী করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গাড়ী আমদানীকারকেরা।