ভয়াবহ বিপর্যয়ে পুঁজিবাজার

5

মনির হোসেনঃ স্মরণকালের সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে শেয়ারবাজার। ব্যাপক সম্ভাবনাময় এ খাতটি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সবার চোখের সামনে প্রতিদিনই হাওয়ায় মিশে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজারমূলধন।

গত ১০ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। ফলে লাখো বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। শুধু বিনিয়োগকারী নন, শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে সর্বস্তরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়ের অর্থ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাখা গ্রাহকের আমানতের টাকা এবং মিশন থেকে ফিরে আসা বিভিন্ন কর্মকর্তাদের টাকাও মিশে গেছে এ ব্ল্যাকহোলে। চা

করি হারিয়ে বেকার হয়েছেন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের কয়েক হাজার চাকরিজীবী। পরিবার নিয়ে তারাও পথে বসেছেন। এসব কারণে বিব্রত সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বাজারের উন্নয়নে করছে। শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে বুধবার বৈঠক হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজার পতনের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে।

জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারের সংকট একদিনের নয়। অনেক দিন থেকে চলে আসছে।

তিনি বলেন, যে যেভাবেই বিশ্লেষণ করুক, মূল সমস্যা হল এ বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। বিভিন্ন সময়ে যারা বিনিয়োগকারীদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, তাদের বিচার হয়নি। ফলে আস্থা ফিরে আনতে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ অনিয়মের সঙ্গে জড়িতরা যত শক্তিশালীই হোক এবং যে পদেই থাকুক তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। কারসাজির মাধ্যমে কেউ পুঁজি হাতিয়ে নিলে তার বিচার হয় এ নিশ্চয়তা দিতে হবে বিনিয়োগকারীদের। এছাড়াও দুর্বল কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১৪ মার্চ ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। বুধবার পর্যন্ত তা কমে ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।

এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে ডিএসইর বাজারমূলধন কমেছে ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে ডিএসইর মূল্যসূচক ৬ হাজার ৬৫৫ পয়েন্ট থেকে কমে ৪ হাজার ৩৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ সময়ে মূল্যসূচক ১ হাজার ৬২০ পয়েন্ট কমেছে। ৫০ টাকার শেয়ারের দাম নেমে এসেছে ১ টাকায়।

এরমধ্যে যারা মার্জিন ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন, তারা পুঁজি হারানোর পরও বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ঋণগ্রস্ত। শুধু ব্যক্তি বিনিয়োগকারী নন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরও রয়েছেন এ সমস্যায়।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ইক্যুইটি নেতিবাচক। আর এ সমস্যা থেকে উত্তরণের আপাতত কোনো সুখবর নেই। ফলে আর্থিক সংকটে স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসে প্রতিনিয়ত জনবল ছাঁটাই হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস বন্ধ হওয়ার পথে। সবমিলিয়ে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে তীব্র সংকটে শেয়ারবাজার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, শেয়ারবাজারসহ সামগ্রিকভাবে আর্থিক খাত দুর্বৃত্তদের দখলে। ফলে ক্যাসিনোর মতো এখানে বড় অভিযান চালাতে হবে। এক্ষেত্রে অন্য কেউ নয়, প্রধানমন্ত্রীকে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এমন একটি বার্তা দিতে হবে, যে কারসাজির মাধ্যমে কেউ তার টাকা হাতিয়ে নিলে বিচার হয়। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শক্ত অবস্থান নেয়া ছাড়া আমি এর সমাধান দেখি না।

পতনের কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, মোটাদাগে শেয়ারবাজারে দুই ধরনের সংকট চলছে। এক্ষেত্রে চাহিদার দিক থেকে সংকট হল এ বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। ফলে নতুন বিনিয়োগকারী আসছে না। বাড়ছে না তারল্য প্রবাহ। আর সরবরাহের দিক থেকে সংকট হল বাজারে নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে আসতে পারে, এ ধরনের ভালো কোনো কোম্পানি আসছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে দেশে ব্যাংক থেকে টাকা নিলে ফেরত দিতে হয় না, সে দেশে উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজারে আসতে চাইবে না, এটাই স্বাভাবিক। আর বাজারে ভালো কোম্পানি না এলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়বে না।

তাদের মতে, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিসহ সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচককে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। কিন্তু শেয়ারবাজারই একমাত্র জায়গা যেখানে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠে। চাইলেও এটি বাড়িয়ে দেখানো যায় না।

তাদের মতে, সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আছে- ব্যাংক ও সামগ্রিকভাবে আার্থিক খাতের সুশাসনের অভাব। প্রভাবশালীদের চাপে আইপিওতে (প্রাথমিক শেয়ার) নামসর্বস্ব দুর্বল কোম্পানির অংশগ্রহণ। বেপরোয়া প্লেসমেন্ট (বাজারে আসার আগে শেয়ার বিক্রি) বাণিজ্য। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও তারল্য সংকট।

তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির আয় কমে যাওয়া। সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির নিষ্ক্রিয়তা, কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়া এবং সাম্প্রতিক নেয়া পদক্ষেপগুলো সময় উপযোগী ও কার্যকর না হওয়ার মতো কারণগুলো অন্যতম।

এছাড়াও কোম্পানির অডিট রিপোর্টেও জালিয়াতি রয়েছে। তাদের মতে, সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আড়ালে চলে গেছে। ফলে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আমরা বুধবার বৈঠক করেছি।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে বাজার চলবে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু ঘটলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। তিনি বলেন, শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের মতামত শুনেছি। এরপর বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব। তার মতে, বাজারের মূল্য আয়ের অনুপাত এখন ১০। এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সিকিউরিটিজ আইন অনুসারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ মূলত শিল্পায়নে পুঁজি জোগানে সহায়তা করা। বাজারে কারসাজি রোধ করে কর্পোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা।

কিন্তু দীর্ঘদিন থেকেই সূচকের উত্থান-পতনে ভূমিকা রেখে আসছে এ সংস্থা। বাজারে পতন হলে ব্রোকার এবং ডিলারদের বিভিন্ন ছাড় দিয়ে আসছে। কখনও কখনও বড় ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে সাপোর্ট দিচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, দরপতন হলেই বিএসইসি সাপোর্ট দেবে।

এ কারণে শেয়ারবাজারে পতন হলে বিএসইসির শীর্ষ কর্তাদের পদত্যাগ চেয়ে মিছিল বের হয়। কিন্তু সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বড় কোনো কারসাজি চক্রকে শাস্তি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনের মতো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এ সংস্থা।

এছাড়াও গত ১০ বছরে বিএসইসির অনুমোদন দেয়া বেশিরভাগ কোম্পানি বিতর্কিত। তালিকাভুক্ত এসব কোম্পানির আয় কমে যাচ্ছে। এসব দুর্বল কোম্পানি নিয়ে আসার জন্য কোনো ইস্যু ম্যানেজারকেও শাস্তি দিতে পারেনি এ সংস্থা।

দাবি আদায়ের মাধ্যম

শীর্ষ ব্রোকাররা বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জিম্মি করে বিভিন্ন দাবি আদায় করে নিচ্ছে। সম্প্রতি একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ।

এ ইস্যুতে পর্ষদের ভেতরেই ব্যাপক বিভক্তি সৃষ্টি হয়। শেয়ার হোল্ডার পরিচালকদের ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই এর বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র পরিচালকরা পক্ষে থাকায় শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোটে অনুমোদন পান ওই এমডি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তিনি যাতে বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন না পান সে জন্য সংঘবদ্ধভাবে বাজারে পতন ঘটানো হয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে দাবি আদায়ের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে চাপে ফেলতে বাজারে দরপতন হয়।

এর মধ্যে ভারতকে বাদ দিয়ে চীনকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে নিয়োগের জন্য বাজারে পতন ঘটানো হয়েছিল। আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তারাও তাদের পদ ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে অন্যায্য দাবিও মেনে নিয়েছে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আয় কমছে

বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে ২০টি শিল্প খাত তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে ফার্মা এবং আইটি খাত ছাড়া প্রায় সব নেতিবাচক। বিশ্লেষকদের বিবেচনায় বাজারের তালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত ৯টি খাত। এগুলো হল- ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, বীমা, টেলিকম, সিমেন্ট, সিরামিক, টেক্সটাইল এবং আবাসন। এ খাতগুলো বাজারের ৭০ শতাংশ দখল করে আছে। কিন্তু বর্তমানে এর সব খাতের আয় কমছে। ফলে এরা লভ্যাংশও কমিয়ে দিয়েছে।

সরাসরি বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিগুলোর দুরবস্থার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত। সরকারও বিষয়টি স্বীকার করছে। আর্থিক অবস্থা খারাপের কারণে গত বছর ৩০ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি।

অন্যদিকে বাজারমূলধনের বিবেচনায় শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় কোম্পানি গ্রামীণফোন। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির আয় কমছে। এছাড়াও ১২ হাজার কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে কোম্পানিটির জটিলতা তৈরি হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে বাজারে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। সামগ্রিক বিবেচনায় দেখা গেছে, অধিকাংশ মৌলভিত্তি উপেক্ষা করে অতিমূল্যায়িত হয়ে এসব কোম্পানি বাজারে এসেছিল। কোম্পানিগুলো ইস্যু ম্যানেজারকেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে আসে।

বাজার থেকে বেশি টাকা নেয়ার জন্য শুরুতে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে। এরপর মূলধন বাড়িয়ে বাজার থেকে বেশি টাকা নেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেয়া হয় মাত্রাতিরিক্ত প্রিমিয়াম। নিয়ম অনুসারে তালিকাভুক্তির পর প্লেসমেন্টের শেয়ারে এক বছরে লকইন (বিক্রি নিষিদ্ধ) দেয়া থাকে।

এ সময়ের মধ্যে প্লেসমেন্টের শেয়ার বিক্রি করা যায় না। কিন্তু এক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার সাধারণত কিছু ব্রোকারেজের সঙ্গে চুক্তি করে, অন্তত এক বছর শেয়ারটির দাম ধরে রাখতে হবে। এরপর লকইনের সময় শেষে শেয়ার ফ্রি হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সিন্ডিকেট কেটে পড়ে।

এভাবে দুর্বল কোম্পানির মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। এছাড়াও ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নেতিবাচক অবস্থা শেয়ারবাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি দূরত্বের প্রভাব পড়েছে বাজারে। এসব কারণে সক্রিয় ১৩ লাখ বিও (বেনিফিশারি ওনার) অ্যাকাউন্টের মধ্যে বর্তমানে এর অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্ট নেতিবাচক।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট চলছে। যে কারণে আমানত সংগ্রহের জন্য ব্যাংকগুলোতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। কোনো কোনো ব্যাংক ১০ শতাংশ সুদেও আমানত সংগ্রহ করছে।

ফলে বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ শেয়ারবাজার থেকে ব্যাংকে চলে আসছে। বাজারের অন্যতম আরেক উল্লেখযোগ্য খাত লিজিং কোম্পানি। বর্তমানে ২৩টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত। কিন্তু এর মধ্যে ১২টি কোম্পানি দেউলিয়ার পথে। এসব কোম্পানির পোর্টফোলিও নেতিবাচক। সামগ্রিকভাবে বাজারে যার প্রভাব পড়েছে। ফলে বাজারেও তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।-যুগান্তর