ভােলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনঃ ভোটবিহীন সবাইকে বিজয় ঘোষনা

ভোলা প্রতিনিধি॥ ভোলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারন সদস্য পদে কোন প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী না থাকায় সকলে ভোটবিহীন বিজয় হয়েছেন।
গতকাল রোরবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারন সদস্য ১১ জনকে বিজয় ঘোষণা করেছেন।
জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় যারা নির্বাচিতরা হয়েছেন- জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সংরক্ষিত নারী সদস্য খাদিজা আকতার স্বপ্না (ওয়ার্ড-১, ভোলা সদর), সাবিনা ইয়াসমিন, (ওয়ার্ড-২, লালমোহন), কামরুন নাহার (ওয়ার্ডে -৩, মনপুরা), সাধারণ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম গোলদার (ওয়ার্ড-১, ভোলা সদর), মো. খায়রুল হাসান খোকন (ওয়ার্ড-২, দৌলতখান), মো. নুরুল আমিন নিরব মিয়া (ওয়ার্ড-৩, বোরহানউদ্দিন), মো. হাসান (ওয়ার্ড-৩, তজুমদ্দিন), মো. আনোয়ারুল ইসলাম রিপন (ওয়ার্ড-৫, লালমোহন), মো. নুরুল ইসলাম ওয়ার্ড-৬, চরফ্যাশন) ও এ,কে,এম শাহজাহান (ওয়ার্ড-৭, মনপুরা)।
তাদেরকে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।
এ নির্বাচন নিয়ে জেলা পরিষদ ভোটার সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা মিঠু চৌধুরী বলেন, যেহেতু নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী ছিল না। তাই বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো ছাড়া আর কি করার আছে।
ভোলা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হারুন আর রসিদ ট্রুম্যান বলেন, বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে যাওয়া যাবে না, তাই আমরা জেলা পরিষদ নিবাচনে অংশ নেইনি। তিনি বিএনপি নির্দলীয় সরকারের ছাড়া আর কোন নির্বাচনেও অংশ নেবেনা।
ভোলা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক বলেন, আগামী ১৭ অক্টোবর ভোলা জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী না থাকায় ১১ জনকে বিজয় ঘোষণা করা হয়েছে।
উলেøখ্য-তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।