ভারী বর্ষনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত

10

যুগবার্তা ডেস্কঃ ভারী বর্ষণের কারণে রাজধানী ঢাকার
দেশের অনেক এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় সাধারন মনুষ পানি হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, ঢাকায় শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ৭৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, ওয়ারী, মতিঝিল, তেজতুরিবাজার, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, কাজিপাড়া, শেওরাপাড়া, মনিপুরি পাড়া, ধানমন্ডি বেগম রোকেয়া সরণীসহ রাজধানীর কয়েকটি এলাকার নিম্নাঞ্চল নিমজ্জিত হয়েছে।

এদিকে কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনাসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় পানি বন্ধি হয়েছে। শুক্রবার নদ-নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পানি পরিস্থিতি একটি পয়েন্টে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং একটি পয়েন্টের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। দেশের সকল প্রধান নদ-নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ পয়েন্ট, চিলমারি ও গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্ট, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম পয়েন্ট এবং তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের সুরমা, কুশিয়ারা, কংস, সোমেশ্বরী, ফেনী, হালদা, মাতামুহুরী ও সাঙ্গুসহ প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান ও লালমনিরহাট জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯ পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জ ও রাঙ্গামাটি স্টেশন এলাকায় ১৬৫ মিলিমিটার, জাফলংয়ে ১৫৫ মিলিমিটার, টাঙ্গাইলে ১৩৫ মিলিমিটার, শেওলায় ১৩০ মিলিমিটার, দক্ষিণবাগে ১২০ মিলিমিটার, পঞ্চগড়ে ১০২ মিলিমিটার, ছাতকে ১০০ মিলিমিটার এবং রামগড়ে ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে।