বিটিভির স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রাহক পেলেন ভূয়সী প্রশংসা

27

ধীমন বড়ুয়া: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আমার বাবার নাম’। চ্যানেলটির মহাপরিচালক এসএম হারুন উর রশীদের কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করেছেন ফজলে আজিম জুয়েল। এতে চিত্রগ্রহন ও সম্পাদনার দাযিত্ব পালন করেন তরুন চিত্রগ্রাহক ও সম্পাদক শিমন বড়ুয়া।

১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৩টায় বিটিভির ৩ নং স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “আমার বাবার নাম” প্রিমিয়ার শোতে চিত্রগ্রাহক শিমন বড়ুয়া ক্যামেরায় চিত্রধারন শৈলীর মাধ্যমে পেলেন ভূয়সী প্রশংসা।

আনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত বাংলাদেশ সরকারের তথ্য সচিব কামরুন নাহার বলেন,”চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সভাপতি হওয়ার সুবাদে আমার ছায়াছবি দেখা হয়, এই চলচ্চিত্রের চিত্রধারন আমার ভালো লেগেছে।

তিনি চিত্রগ্রাহক শিমন বড়ুয়াকে ডেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “আমার বাবার নাম” চিত্রধারন শৈলীর প্রশংসা করেন এবং তার কর্মময় জীবনের সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এসময় চলচ্চিত্রের সকল অভিনেতা-অভিনেত্রী কলাকুশলী ও বিটিভির উদ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলন।

এ প্রসঙ্গে চিত্রগ্রাহক শিমন বড়ুয়া বলেন, ‘আমার জীবনের সেরা একটি কাজ এটি। মুক্তিযুদ্ধের গল্পে বড় পরিসরে এর আগে কোনো কাজ করিনি। এছাড়া যেহেতু এ গল্পে বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ আছে, তাই কাজটি করে সম্মানিত বোধ করছি।

মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার গল্প নিয়ে নিমির্ত আমার বাবার নাম” এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন -আবুল হায়াত, দিলারা জামান, সমু চৌধুরী, বিমল চন্দ্র ব্যনারজি,জয় রাজ,শেখ বোরহান বাবু, স্বপন সিদ্দিকী (প্রয়াত করোনা যোদ্ধা),শ্যামল জাকারিয়া, নাইরুজ শিফাত,সাইফুল জার্নাল,প্রমুখ।

এক ঘণ্টা দৈর্ঘ্যরে এ চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বঙ্গবন্ধু কারাগারে ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুসহ আরও অনেকেই অপেক্ষায় থাকেন। নেতা আসবেন, নির্দেশ দেবেন কী করতে হবে এখন। প্রিয় নেতার মঙ্গল কামনায় রোজা রাখেন গ্রামের এক বৃদ্ধা। সবাই অপেক্ষায় আছেন বঙ্গবন্ধু ফিরে এসে ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন জীবন গড়ার নির্দেশনা দেবেন। অবশেষে তিনি এলেন। শামসু কমান্ডার সদলবলে অস্ত্র জমা দিলেন। বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হল স্বাধীনতার শত্রু, ধর্ষক, লুণ্ঠন ও হত্যাকারীদের। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিশালায় নির্যাতিত অলোকা খুঁজে পায় তার নতুন জীবন।

এ চলচ্চিত্রটি ঢাকা এবং নোয়াখালীর সুবর্ণচর সহ বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং করা হয়েছে।