বাস ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশের প্রতিবাদ বাম ঐক্য ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের

16

বাম ঐক্য ফ্রন্টের অনলাইন বৈঠকে অংশ গ্রহণকারী নেতারা বাস ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আজ দুপুর ১২টায় নেতৃবৃন্দ অনলাইনে এক সভায় মিলিত হন। সেখানে অংশ নেন বাম ঐক্য ফ্রন্টের সমন্বয়ক, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমরেড নাসির উদ্দীন আহম্মদ নাসু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মাহবুব) আহ্বায়ক সন্তোষ গুপ্ত, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার মুর্শেদ, গণমুক্তি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা রাজা মিয়া ও কমিউনিস্ট ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইমাম গাজ্জালী, বাসদ (মাহবুব) এর কেন্দ্রীয় নেতা মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাভাইরাস সঙ্কটে দুই মাস বন্ধ থাকার পর ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালুর অনুমতি দিয়েছে সরকার। এই সঙ্কটকালে বাস চালুর পর ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বিআরটি এ’র গণপরিবহণ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রতিটি বাসে ৫০ ভাগ সিট খালি থাকবে বলে ভাড়া সমন্বয় করতেই এই নতুন ভাড়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান ইউসূব আলী মোল্লা। করোনাভাইরাস সঙ্কটে লকডাউন খুলে দিয়ে গণপরিবহন চালু এবং বাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাম ঐক্য ফ্রন্ট এর নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ভাড়া নির্ধারণ করে সরকারের ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি। ৩০ শতাংশ আসন খালি ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। করোনার কারণে ৫০ শতাংশ আসন খালি রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে। এ হিসেবে ২০ ভাগ আসন বেশি খালি রাখতে হবে।’

তারা আরো বলেন, ‘এই সংকটকালে ২০ শতাংশ আসনের জন্য ভাড়া দ্বিগুণ করার শর্ত আদৌ যৌক্তিক হতে পারে না। ইতোপুর্বে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি সহ নানা সুতোয় দফায় দফায় বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু তেলের দাম কমলেও কখনো বাসের ভাড়া কমনোর কোনো উদাহরণ নাই।’

নেতৃবৃন্দ ভাড়া বৃদ্ধি না করে সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজী এবং শ্রমিকদের কল্যাণের নামে বিভিন্ন শ্রমিক-মালিক সমিতির ব্যানারে চাঁদা আদায় বন্ধ করারও জোর দাবি জানান।