বরিশাল লঞ্চঘাটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাস্থ্যবিধি মনিটরিং

13

বরিশাল অফিসঃ সোমবার বিকাল থেকেই বরিশাল লঞ্চ ঘাটে ছিলো ঢাকামুখী মানুষের ঢল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চগুলো যাত্রী তুলছে কিনা এবং লঞ্চঘাটে কতটা স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে তা মনিটরিং করার জন্য বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমান-এর নির্দেশনায় লঞ্চঘাট এলাকায় বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান নেন বরিশাল জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান। এসময় তিনি বিআইডব্লিউটি-এর যুগ্ন পরিচালক আজমল হুদা মিঠুকে সাথে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে প্রতিটি লঞ্চের সামনে ও ডেকের অভ্যন্তরে সচেতনামূলক মাইকিং করেন। উপচে পড়া ভীড়ে অধিক স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসময় লঞ্চের ডেকে যাত্রী তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং উপস্থিত লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এর একটি টিম এবং নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে লঞ্চঘাটে যারা অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি করছিলেন তাদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং লঞ্চের অভ্যন্তরে অধিক জনসমাগম এড়াতে কিছু যাত্রীকে ফেরত পাঠানো হয়। বরিশাল লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ৬ টি লঞ্চ ছেড়ে যায় গ্রীন লাইন ওয়াটার বাস, সুন্দরবন, অ্যাডভেঞ্চার, কুয়াকাটা, ফারহান এবং সুরভী। পরবর্তীতে সার্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় একঘন্টা আগেই লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। করে যাত্রী এ এদিকে সকালে সীমিত আকারে যাত্রী পরিবহন করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের সাথে লঞ্চ বাস মালিকদের সাথে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিবেচনা করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।