বরিশালে টাকা ছাড়া মিলছেনা নতুন বই

যুগবার্তা ডেস্কঃ টাকা ছাড়া মিলছে না সরকারের বিনামূল্যের নতুন বই। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কৌশলে টাকা গ্রহণের মাধ্যমে বই বিতরণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল টাকা ছাড়া মিলছে না সরকারের বিনামূল্যের নতুন বই। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কৌশলে টাকা গ্রহণের মাধ্যমে বই বিতরণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। যারা স্কুলের ধার্যকৃত টাকা দিতে পারেনি সেইসব শিক্ষার্থীদের বই দেয়া হয়নি। তাই নতুন বছরের প্রথমদিন স্কুলে এসেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনায় এলাকার দরিদ্র অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রতিবছর পহেলা জানুয়ারি সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসব পালন করছে। সরকারের এ মহান উদ্যোগকে ম্লান করে দিয়েছে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা। সূত্রমতে, আগৈলঝাড়ার উপজেলার পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অষ্টম শ্রেণির ৩৩ রোল নং এর শিক্ষার্থী আঁখি আক্তারের মা সাফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, স্কুলের ধার্যকৃত টাকা দিতে না পারায় তার কন্যা ১ জানুয়ারি সকালে স্কুলে গিয়েও বই না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে এসেছে। একই অভিযোগ করেছেন অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ২৫ রোল ধারী চাঁদনী আক্তারের অভিভাবক রাবেয়া বেগম। এভাবে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে টাকা না দেয়ায় বই না পাওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের।
ওই স্কুল এ্যান্ড কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে স্কুলের ধার্যকৃত ফি ধরা হয়েছে ৪৯০ টাকা, সপ্তম শ্রেণিতে ৫২০ টাকা, অষ্টম শ্রেণিতে ৫৭০ টাকা, নবম শ্রেণিতে ৬২০ টাকা ও দশম শ্রেণিতে ৪৭০ টাকা। সূত্র মতে, ফরম ক্রয়, ভর্তি ফি, পরীক্ষা ফি, ক্রীড়া, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী, সরস্বতী পূঁজা, পাঠাগার ও প্রতি বিষয়ে ফেল বাবদ এসব টাকা স্কুল কর্তৃপক্ষ ধার্য করেছে। তবে বই উৎসবের দিন স্কুলের ধার্যকৃত টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় না করার জন্য সরকারী নির্দেশ থাকলেও তা মানছে না স্কুলগুলো।
উপজেলা সদরের শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই স্কুলের ধার্যকৃত টাকা না দেয়ায় শিক্ষার্থীদের বই দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
উপজেলার কুয়াতিরপাড় গ্রামের খোকন চন্দ্র সমদ্দার অভিযোগ করেন, তার কন্যা স্মৃতি সমদ্দার উপজেলা সদরের শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। তার রোল নং ১৬। চারশ’ টাকা স্কুলে না দেয়ায় তাকে বই দেয়া হয়নি। বই না পেয়ে খালি হাতে ফিরে তার মেয়ে সারাদিন কেঁদেছে। তার মেয়ের মত ওই এলাকার আরও অনেক শিক্ষার্থী বই না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছে। একইভাবে গৌরনদী উপজেলার অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ধার্যকৃত টাকার বিনিময়ে বই বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এরকম কোন বিষয় আমার জানা নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বই উৎসবের দিন স্কুলে কোন টাকা নেয়া ঠিক নয়। কোন স্কুল টাকা নিলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিরুদ্ধে। যারা স্কুলের ধার্যকৃত টাকা দিতে পারেনি সেইসব শিক্ষার্থীদের বই দেয়া হয়নি। তাই নতুন বছরের প্রথমদিন স্কুলে এসেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনায় এলাকার দরিদ্র অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রতিবছর পহেলা জানুয়ারি সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসব পালন করছে। সরকারের এ মহান উদ্যোগকে ম্লান করে দিয়েছে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা। সূত্রমতে, আগৈলঝাড়ার উপজেলার পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অষ্টম শ্রেণির ৩৩ রোল নং এর শিক্ষার্থী আঁখি আক্তারের মা সাফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, স্কুলের ধার্যকৃত টাকা দিতে না পারায় তার কন্যা ১ জানুয়ারি সকালে স্কুলে গিয়েও বই না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে এসেছে। একই অভিযোগ করেছেন অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ২৫ রোল ধারী চাঁদনী আক্তারের অভিভাবক রাবেয়া বেগম। এভাবে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে টাকা না দেয়ায় বই না পাওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের।
ওই স্কুল এ্যান্ড কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে স্কুলের ধার্যকৃত ফি ধরা হয়েছে ৪৯০ টাকা, সপ্তম শ্রেণিতে ৫২০ টাকা, অষ্টম শ্রেণিতে ৫৭০ টাকা, নবম শ্রেণিতে ৬২০ টাকা ও দশম শ্রেণিতে ৪৭০ টাকা। সূত্র মতে, ফরম ক্রয়, ভর্তি ফি, পরীক্ষা ফি, ক্রীড়া, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী, সরস্বতী পূঁজা, পাঠাগার ও প্রতি বিষয়ে ফেল বাবদ এসব টাকা স্কুল কর্তৃপক্ষ ধার্য করেছে। তবে বই উৎসবের দিন স্কুলের ধার্যকৃত টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় না করার জন্য সরকারী নির্দেশ থাকলেও তা মানছে না স্কুলগুলো।
উপজেলা সদরের শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই স্কুলের ধার্যকৃত টাকা না দেয়ায় শিক্ষার্থীদের বই দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
উপজেলার কুয়াতিরপাড় গ্রামের খোকন চন্দ্র সমদ্দার অভিযোগ করেন, তার কন্যা স্মৃতি সমদ্দার উপজেলা সদরের শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। তার রোল নং ১৬। চারশ’ টাকা স্কুলে না দেয়ায় তাকে বই দেয়া হয়নি। বই না পেয়ে খালি হাতে ফিরে তার মেয়ে সারাদিন কেঁদেছে। তার মেয়ের মত ওই এলাকার আরও অনেক শিক্ষার্থী বই না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছে। একইভাবে গৌরনদী উপজেলার অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ধার্যকৃত টাকার বিনিময়ে বই বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এরকম কোন বিষয় আমার জানা নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বই উৎসবের দিন স্কুলে কোন টাকা নেয়া ঠিক নয়। কোন স্কুল টাকা নিলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।-বরিশাল ক্রাইম নিউজ