বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন নয় ব্যক্তিগতায়নই মূল উদ্দেশ্য–ওয়ার্কার্স পার্টি

4

ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন নয় ব্যক্তিগতায়নই ওই সব মিল বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। পাটমন্ত্রী নিজেই থলের বিড়াল বের করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিমালিকরা পিপিপি’তে আগ্রহী নয়, তাই তাদের লিজ দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। আসলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিকল্প প্রস্তাবসমূহ না তুলে পিপিপি’তে পাটকলের আধুনিকায়নের ঘোষণা ছিল দেশবাসীর সাথে প্রতারণা। শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের নামে যে টাকা দেওয়া হচ্ছে তার বড় অংশই তাদের বকেয়া পাওনা। এটা তাদের জন্য কোন করুণা বা দয়ার দান নয়। এখনো সময় আছে পাটকলগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে রেখে তার আধুনিকায়ন করা। বঙ্গবন্ধু যেই ভিত্তিতেই বাহাত্তরে পাটকলগুলো জাতীয়করণ করেছিলেন, সেটাই তার নীতির যথার্থ অনুসরণ। পাটকল সম্পর্কিত যে নীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নিজেও অঙ্গীকারাবদ্ধ।
আজ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে সম্প্রতি বন্ধ করে দেয়া পাটকল সম্পর্কে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে এই প্রস্তাব গ্রহণ করে। পার্টির সভাপতি জননেতা রাশেদ খান মেনন এমপি-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিটব্যুরোর সভার প্রস্তাবে বলা হয়, হঠাৎ করেই পাটকলসমূহ এভাবে বন্ধ করে দেয়ায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজার হারাচ্ছে। পাটপণ্য রপ্তানী নিয়ে কি লুটপাট চলছে তার প্রমাণ দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানীর কাছে দেশীয় রপ্তানীকারকদের প্রস্তাবিত দামের অনেক নীচে পাটপণ্য বিক্রি করা।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় করোনাকালে এভাবে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের নামে শ্রমিক-কর্মচারিদের চাকুরি অবসায়নকে অমানবিক আখ্যায়িত করে বলা হয়- এই সময় ঐ অর্থ দিয়ে তারা পেশা পরিবর্তন করতে পারবে না।