বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ভাবে মাছ শিকারের অভিযোগে ট্রলারসহ ২৩ ভারতীয় জেলে আটক

37

মোঃ নূর আলমঃ বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে দু’টি ফিসিং ট্রলারসহ ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌ-বাহিনী। বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহলরত জাহাজ “বিএনএস কর্নফুলী” ওই জেলেদের ট্রলারসহ আটক করে। আজ বিকেলে আটককৃত জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করে নৌ-বাহিনীর সদস্যরা। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের সামুদ্রীক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মামলা দায়ের শেষে মোংলা থানা থেকে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোংলা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধূরী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় বানৌজা কর্নফুলি বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়ার আনুমানিক ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম কোণ এলাকায় নৌ বাহিনীর জাহাজ বিএনএস কর্ণফুলী টহলদানকালে এফবি আমৃথা ও এফবি স্বর্র্ণদ্বীপ নামক ভারতীয় ওই ট্রলার দুটি আটক করে ।
আটক জেলেরা হচ্ছে- আপ্পান্ন (৩৫), আপ্পান্না(৩৮) রাম (২১), রামু(৩০), বি দানিয়া (৩৯), নারিশাম্মা(৩৫), পাঔলিয়া(৩০) আভি(২১), দুত কুমার ভূইয়া(৪৭), কার্তিক জেনা (৪৮), কালিপদ সামন্ত(৫৫), প্রনব মন্ডল(২৯), নিরঞ্জন দাস(৪৮), পরিতোষ মৃধা (২৭), বিজয় কান্দি দাস(৪৮), পুরকাইত(৪৮), গুরু পদ জানা(৪৫), অনিল পুর কাইত(৪০), বিশ্বজিৎ সাহ (৩৪),” নিরুদ দাশ(৫৮), শ্রীমন্ত দাস(৩৫), সুকুমার দাস(২৮), হরিরঞ্জন দাস(৪২)। এ সকল জেলেদের বাড়ি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের দক্ষিন চব্বিশপরগোনা জোলার বিভিন্ন এলাকায়। তাদের শুত্রবার বিকালে নৌ বাহিনী মোংলা থানায় হস্তান্তর করে। পরে নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের শেষে আটক ভারতীয় জেলেদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবকার বিকেলে বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে ‘এফবি মা-লক্ষ্মী’ নামক একটি ফিসিং ট্রলারসহ ১৫ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে। পরে নৌবাহিনী মঙ্গলবার রাতে আটককৃত জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করার পর বুধবার এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।